হারিয়ে যাওয়া এক শ্রেণির ব্ল্যাক হোলের শেষ পর্যন্ত একটি ব্যাখ্যা মিলতে পারে
মহাকর্ষীয়-তরঙ্গ জ্যোতির্বিজ্ঞান ব্ল্যাক হোলের জনসংখ্যাকে কেবল তাত্ত্বিক নয়, বরং পরিমাপযোগ্য এক বাস্তবতায় পরিণত করেছে। এখন শত শত শনাক্তকরণ নথিভুক্ত হওয়ায়, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সংঘর্ষরত ব্ল্যাক হোলের ভরকে দীর্ঘদিনের সেই পূর্বাভাসের সঙ্গে তুলনা করতে পারেন যে ভারী তারা কীভাবে মারা যায়। সবচেয়ে স্থায়ী ধাঁধাগুলোর একটি হলো তথাকথিত নিষিদ্ধ ফাঁক: তারাময় ব্ল্যাক হোলের ভরের এমন এক পরিসর, যা তত্ত্ব অনুযায়ী এক ধরনের চরম সুপারনোভায় ব্যাহত হয়ে যাওয়ার কথা। Universe Today-এ আলোচিত নতুন গবেষণা বলছে, সেই ফাঁকের প্রমাণ এখন উপেক্ষা করা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
প্রদত্ত সূত্র অনুযায়ী, Monash University-এর নেতৃত্বাধীন কাজটি বলছে যে প্রায় ৪৫ সৌর ভরের বেশি তারাময় ব্ল্যাক হোল মহাকর্ষীয়-তরঙ্গ রেকর্ডে অস্বাভাবিকভাবে বিরল। এই ধারা সেই ধারণার সঙ্গে মেলে যে নির্দিষ্ট ভর-পরিসরের তারাগুলি শান্তভাবে ব্ল্যাক হোলে ভেঙে পড়ে না। বরং, তারা জোড়া-অস্থিরতা সুপারনোভায় ধ্বংস হতে পারে, যা এতটাই সহিংস যে কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।
ফাঁকটি কেন গুরুত্বপূর্ণ
এটি কেবল হিসাব-নিকাশের বিষয় নয়। ব্ল্যাক হোলের ভর তারামূলক বিবর্তনের একটি নথি। যদি ভরের একটি বিস্তৃত পরিসর অনুপস্থিত থাকে, তবে সেই তারাগুলোর জীবনের শেষ পর্যায়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল। সূত্রটি মূল প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করে: সবচেয়ে ভারী তারাগুলিতে, চরম পরিস্থিতি তারার ভেতরে শক্তিশালী বিকিরণ থেকে ইলেকট্রন-পজিট্রন জোড়া তৈরি করতে পারে। এতে ভেতরের চাপ কমে যায় এবং তারা অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।
সাধারণভাবে ব্ল্যাক হোলে ভেঙে পড়ার বদলে, তারা বিপর্যয়করভাবে বিস্ফোরিত হতে পারে। সূত্রে বর্ণিত জোড়া-অস্থিরতার ক্ষেত্রে, বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী যে কোনো অবশিষ্টাংশই থাকে না। ফলে ব্ল্যাক হোলের ভর-বিতরণে স্বাভাবিকভাবেই একটি ফাঁক তৈরি হয়।





