একটি নতুন অস্ত্রশ্রেণির দ্রুত গঠন
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন কর্পস বলছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে কোনো ফার্স্ট-পার্সন ভিউ আক্রমণ ড্রোন না থাকা অবস্থা থেকে কয়েক মাসের মধ্যেই পরিষেবায় ৩,৫০০-এর বেশি ড্রোনে পৌঁছেছে। Weapons Training Battalion-এর কমান্ডিং অফিসার কর্নেল স্কট কিউমো-র দেওয়া এই সংখ্যা পরিষেবার ভেতরে একটি নতুন অস্ত্রশ্রেণির সাম্প্রতিকতম দ্রুততম বিস্তারের একটি ইঙ্গিত দেয়।
ফার্স্ট-পার্সন ভিউ ড্রোন, বা FPV, অপারেটরদের গগলস বা স্ক্রিনের মাধ্যমে বিমানের দৃষ্টিকোণ থেকে লাইভ ফিড দেয়। দেওয়া উৎস পাঠ্য অনুযায়ী, এগুলোর অনেকগুলোর ওজন কয়েক পাউন্ড, বিস্ফোরক বহন করতে পারে, এবং ঘণ্টায় প্রায় ১০০ মাইল বেগে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সংঘাতে, বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধে, এই শ্রেণিটি কম খরচ, নমনীয়তা, এবং যুদ্ধক্ষেত্রের প্রভাবের কারণে তীব্র মনোযোগ পেয়েছে।
উপর থেকে নির্দেশনা থেকে দ্রুত মাঠে নামানো
কিউমো এই নির্মাণগত গতি ব্যাখ্যা করেন শীর্ষ নেতৃত্বের স্পষ্ট নির্দেশনা এবং বাহিনীজুড়ে অভিযোজনক্ষমতার সমন্বয় হিসেবে। সময়রেখা তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন: “অক্টোবরে ফিরে যান আপনার মস্তিষ্কে। তখন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের শূন্য FPV আক্রমণ ড্রোন ছিল। এখন আমাদের ৩,৫০০-এর বেশি আছে।” এই ধরনের বৃদ্ধি অস্বাভাবিক, শুধু পরিমাণের কারণে নয়, বরং কারণ এটি এমন একটি প্রযুক্তি-শ্রেণিকে সামরিক কাঠামোর ভেতর আত্মস্থ করার প্রচেষ্টা দেখায়, যা খুব সম্প্রতি মূলধারার বাহিনী পরিকল্পনার আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।
উৎস পাঠ্য অনুযায়ী, এই পরিবর্তন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিক গতি পায়, যখন Training Command এবং Marine Corps Warfighting Laboratory-এর কমান্ডিং জেনারেলরা Marine Corps Attack Drone Team চালু করেন। ইউক্রেন যুদ্ধে FPV ড্রোনের বিস্তারের পরে সেগুলোর প্রয়োজনীয়তাকে এই পদক্ষেপ স্বীকৃতি দেয়। দলটি Marine Corps Base Quantico-তে অবস্থিত এবং Warfighting Laboratory-এর সঙ্গে কাজ করে এই ব্যবস্থাগুলোকে Fleet Marine Force-এ একীভূত করে।






