একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার সামনে বিশাল মূল্য ট্যাগ
কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের নতুন হিসাব প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গোল্ডেন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার আর্থিক ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। উৎস অনুযায়ী, কর্মসূচিটি তৈরি, মোতায়েন, এবং ২০ বছর ধরে চালাতে খরচ হবে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ডলার।
এই অঙ্কটি ট্রাম্পের আগে উল্লেখ করা ১৭৫ বিলিয়ন ডলারের খরচের সঙ্গে স্পষ্ট বিরোধী। এই ব্যবধান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার বাস্তবসম্মততা নিয়ে প্রচলিত বিতর্ককে জাতীয় অগ্রাধিকার, ফেডারেল ব্যয়, এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপর একটি বিস্তৃত প্রতিরক্ষা-ঢাল প্রযুক্তিগতভাবে বাস্তবসম্মত বা রাজনৈতিকভাবে টেকসই কি না, এমন বৃহত্তর প্রশ্নে রূপান্তরিত করে।
এক্সিকিউটিভ অর্ডার থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাজেট বোঝা
উৎস বলছে, ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কর্মসূচিটি তৈরির নির্দেশ দিয়ে একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই করেন। তখন এর নাম ছিল Iron Dome for America। পরে গোল্ডেন ডোম নামটি বেশি ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
ধারণাটি ইসরায়েলের Iron Dome সিস্টেমকে মডেল হিসেবে ধরে এগোনো হয়েছে, কিন্তু সেই তুলনা সবসময়ই জটিল ছিল। ইসরায়েলের সিস্টেম ছোট ভৌগোলিক এলাকা এবং ভিন্ন ধরনের হুমকি পরিস্থিতির জন্য তৈরি। এর বিপরীতে, গোল্ডেন ডোমকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি জাতীয়-স্তরের প্রতিরক্ষামূলক ছাতা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। উৎস আরও বলছে, ট্রাম্প এটি শুধু স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি নয়, বরং মহাকাশ থেকে আসতে পারে এমন ক্ষেপণাস্ত্র থেকেও সুরক্ষা হিসেবে দেখিয়েছেন।
এই উপস্থাপনাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কর্মসূচিটিকে একটি সাধারণ হোমল্যান্ড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা উন্নয়নের বাইরে নিয়ে যায় এবং আরও বিস্তৃত কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিণত করে। একটি প্রতিরক্ষা ধারণাকে যখন শুধু পরিচিত ক্ষেপণাস্ত্রপথ নয়, ভবিষ্যতের মহাকাশ-ভিত্তিক হুমকিকেও কাভার করতে বলা হয়, তখন ব্যয়, প্রযুক্তিগত পরিপক্বতা, এবং মিশন-ক্রিপ নিয়ে প্রশ্ন এড়ানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে।





