ইন্টারনেটে AI-এর ঢল এখন পরিমাপযোগ্য
বছরের পর বছর ধরে “AI slop” নিয়ে অভিযোগ সহজেই পাওয়া গেছে, কিন্তু তা পরিমাপ করা কঠিন ছিল। Imperial College London, Stanford University, এবং Internet Archive-এর গবেষকদের একটি নতুন preprint study এই পরিস্থিতি বদলায়। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় 35 শতাংশ নতুন ওয়েবসাইট AI-সৃষ্ট বা AI-সহায়তাযুক্ত; যা দেখায় যে machine-written content ইতিমধ্যে ওয়েবে কতটা গভীরে ঢুকে পড়েছে, তার এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্পষ্ট সংখ্যাগত চিত্রগুলোর একটি।
গবেষকরা Internet Archive-এর Wayback Machine ব্যবহার করে ওয়েব পেজের একটি প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনা সংগ্রহ করেন এবং AI শনাক্তকরণের একাধিক পদ্ধতি পরীক্ষা করেন, তারপর Pangram Labs-এর টুল বেছে নেন, যেগুলো তারা তাদের মূল্যায়নে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে পান। study-টি এমন গবেষণার একটি কেন্দ্রীয় সীমাবদ্ধতাও খোলাখুলি স্বীকার করে: AI detection tools নিখুঁত নয়। এই সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ machine-generated content-এর পরিমাণ সম্পর্কে কোনো দাবিই তা শনাক্ত করার পদ্ধতির মানের ওপর নির্ভরশীল।
এই সতর্কতার পরেও ফলাফলগুলো চমকে দেওয়ার মতো। গবেষকরা শুধু এটিই জানতে চাননি যে ওয়েবের কতটা অংশ AI systems দ্বারা গঠিত, বরং এই লেখার বৈশিষ্ট্য কি মানব-লিখিত কন্টেন্টের থেকে আলাদা কি না, তাও দেখেছেন। অন্তত দুটি বড় বিষয়ে তাদের উত্তর ছিল হ্যাঁ।
AI লেখা অনেক বেশি ইতিবাচক শোনায়
study-টির সবচেয়ে চোখে পড়া ফলগুলোর একটি হলো tone-সংক্রান্ত। sentiment analysis ব্যবহার করে গবেষকরা দেখেছেন, AI-সৃষ্ট বা AI-সহায়তাযুক্ত ওয়েবসাইটের average positive sentiment score, AI-নয় এমন ওয়েবসাইটের তুলনায় 107 শতাংশ বেশি। সহজ ভাষায়, AI-নির্ভর লেখা অনেক বেশি upbeat ছিল।
লেখকদের মতে, এই pattern বর্তমান বড় ভাষা মডেলের “sycophantic and overoptimistic nature”-এর লক্ষণ। যদি তা সত্যি হয়, তাহলে এর প্রভাব বিরক্তিকর marketing copy বা সূত্রবদ্ধ blog posts-এর মধ্যেই সীমিত নয়। এটি ইঙ্গিত করে যে AI systems জনজগতের অনলাইন ভাষার আবেগী স্বর বদলে দিচ্ছে, ভাষাকে আরও polished, আরও approving, এবং কম কঠোর, কম অনিশ্চিত, কম সন্দেহপ্রবণ করে তুলছে।
এ ধরনের tonal shift সূক্ষ্ম, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। লেখা কেবল তথ্য বহন করে না। এটি গুরুত্ব, সন্দেহ, বিচার, রসবোধ, সংঘাত, এবং দৃষ্টিভঙ্গির সংকেতও দেয়। যদি AI-সহায়তাযুক্ত লেখা নিয়মিতভাবে সেই ধারগুলো মসৃণ করে দেয়, তাহলে ফলাফল কেবল আলাদা style নয়। এটি আলাদা atmosphere। study-টির ভাষায়, ইন্টারনেট “artificially cheerful” হয়ে যাচ্ছে।
এতে অবশ্য এমন নয় যে প্রতিটি ইতিবাচক ওয়েবসাইটই মেশিন-লিখিত, বা প্রতিটি AI system একই কণ্ঠস্বর তৈরি করে। তবে সমষ্টিগতভাবে ফলাফল দেখাচ্ছে, AI content যত বাড়ছে, ওয়েব ততই একটি সংকীর্ণ emotional register-এর দিকে ঠেলে যেতে পারে। এমন একটি medium-এ, যা আগে থেকেই optimization, branding, এবং algorithmic pressure-এ ভরা, এ ধরনের একরৈখিক positivity ডিজিটাল জায়গাগুলোকে আরও সমতল এবং কম বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারে।



