ভ্রূণে নিরাপদ gene editing মানেই প্রস্তুত হয়ে যাওয়া নয়
CRISPR-এর একটি উন্নত রূপ, base editing, মানব ভ্রূণ সম্পাদনার সময় সবচেয়ে গুরুতর প্রযুক্তিগত ঝুঁকিগুলোর একটি কমাতে সাহায্য করছে বলে মনে হচ্ছে: DNA কেটে ফেলার ফলে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত mutations। কিন্তু New Scientist যেমন জানায়, সেই অগ্রগতি gene-editing babies-কে বাস্তবে গ্রহণযোগ্যতার কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এমন নয়। মূল বাধা শুধু এই নয় যে বিজ্ঞানীরা DNA আরও সুন্দরভাবে edit করতে পারেন কি না। প্রশ্ন হলো, তারা কি এমন একটি ভ্রূণে তা যথেষ্ট নিখুঁতভাবে করতে পারেন, যা ভবিষ্যতের একজন মানুষের সব cell তৈরি করবে।
এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৮ সালে চীনে একজন গবেষকের gene-edited children তৈরি করার খবর প্রকাশের পর থেকে, বিতর্কটি প্রায়ই সম্ভাবনা ও নৈতিকতার লড়াই হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে safety সবসময়ই কেন্দ্রীয় ছিল। মূল CRISPR-Cas9 পদ্ধতি DNA-র দুই strands-ই কেটে দেয়। cells যখন সেই cuts repair করে, তখন ছোট mutations বা খারাপ ক্ষেত্রে বড় chromosomal errors তৈরি হতে পারে। ফলে যেখানে নির্ভুলতা প্রায় সর্বোচ্চ হওয়া দরকার, সেখানে এই কৌশলটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
Base editing কীভাবে আলোচনাকে বদলায়
Base editing আলাদা, কারণ এটি DNA-র একটি letter-কে অন্য একটি letter-এ বদলে দেয় এবং প্রক্রিয়ায় মাত্র এক strand কাটে। source text অনুযায়ী, এতে পুরনো CRISPR পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত damaging errors-এর সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের রোগ চিকিৎসাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে, এই প্রযুক্তি ইতিমধ্যে জীবন বাঁচানোর মতো সম্ভাবনা দেখিয়েছে এবং ongoing trials-কে সমর্থনও করেছে।
এটি বৈজ্ঞানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এটি দেখায়, field blunt edits থেকে আরও নিয়ন্ত্রিত corrections-এর দিকে এগোচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে আংশিক সাফল্যও যথেষ্ট হতে পারে। যেমন, যদি liver cells-এর একটি অংশ ঠিক হয়, তাতেও রোগের চিকিৎসা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু ভ্রূণে ত্রুটির জন্য এমন সুযোগ নেই। সেই পর্যায়ে করা একটি ভুল পুরো শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে, অথবা এমন patchwork outcome তৈরি করতে পারে যেখানে কিছু cell edited আর কিছু নয়।
এখনও অমীমাংসিত সমস্যা
New Scientist-এর source text স্পষ্টভাবে বলছে, একটি বড় বাধা এখনও রয়ে গেছে। base editing অনেক off-target mutations এড়াতে পারলেও, ভ্রূণ editing-কে অসাধারণ মাত্রার সম্পূর্ণতা ও ধারাবাহিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ভ্রূণ কোনো একটি tissue নয়। এটি সব tissues-এর developmental starting point। তাই error-এর জন্য সহনশীলতা somatic therapies-এর তুলনায় অনেক বেশি কঠোর।
এই কারণেই পরীক্ষাগারের আশাব্যঞ্জক ফলাফল সরাসরি gene-edited babies-এর clinical case-এ রূপ নেয় না। একটি cleaner tool এক ধরনের ঝুঁকি কমায়, কিন্তু embryonic development, long-term follow-through, বা একরকম না হওয়া edit-এর পরিণতির পুরো সমস্যাটি সমাধান করে না। তাই article বলছে, field এখনও এমন স্তরে পৌঁছায়নি যেখানে এই ব্যবহার বিবেচনা করা যেতে পারে কি না, তার উত্তর এখনও না।
নীতির দিক থেকে এর মানে
নীতিগতভাবে এর দুটি দিক আছে। প্রথমত, বিজ্ঞান উন্নত হচ্ছে, এবং তাই বিষয়টি আলোচনায় থেকে যাবে। ভ্রূণ editing এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে এটি আলোচনা করা উচিত নয়, এমন একেবারে সরল দাবি tools আরও নির্ভুল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। দ্বিতীয়ত, বাস্তব ব্যবহারের threshold এখনও অনেক উঁচু। আগের চেয়ে নিরাপদ হওয়া আর যথেষ্ট নিরাপদ হওয়া এক কথা নয়।
এই ফাঁকটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ reproductive gene editing সামাজিক স্তরে একবার ঘটলে আর ফেরানো যায় না। ভ্রূণে করা পরিবর্তন কেবল এক patient-এর চিকিৎসা নয়। এগুলো শুরু থেকেই এক future person-কে গড়ে তোলে, এবং edit-এর ওপর নির্ভর করে hereditary line-এর অংশও হয়ে যেতে পারে। এ কারণেই mutation rates আর repair mechanisms ঘিরে technical আলোচনা চললেও, ক্ষেত্রটি এত তীব্র scrutiny-এর মধ্যে থাকে।
এখন ছবিটি পরিষ্কার। Base editing একটি বাস্তব অগ্রগতি, এবং DNA কাটার ক্ষতি নিয়ে পুরনো আপত্তিকে তা কমায়। কিন্তু আরও গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড বদলায়নি: ভ্রূণ editing-এর জন্য ordinary therapeutic success-এর তুলনায় অনেক বেশি reliability দরকার। যতক্ষণ না সেই অমীমাংসিত বাধা কাটিয়ে ওঠা যাচ্ছে, বিজ্ঞান এগোতে পারে, কিন্তু ব্যবহারের পক্ষে যুক্তি এখনো স্থগিতই থাকবে।
This article is based on reporting by New Scientist. Read the original article.
Originally published on newscientist.com
