যুদ্ধক্ষেত্রের নেভিগেশন মডেল বদলাচ্ছে

প্রদত্ত উৎস উপাদান অনুযায়ী, সামরিক বাহিনী যে নির্ভরযোগ্য GPS অ্যাক্সেসকে স্বাভাবিক ধরে নিতে পারত, সেই যুগ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিবন্ধের যুক্তি হলো, জ্যামিং এবং স্পুফিং এখন কৌশলগত পরিবেশের নিয়মিত বৈশিষ্ট্য, এবং কিছু প্রতিপক্ষ বৈশ্বিক নেভিগেশনের পেছনের উপগ্রহ অবকাঠামোকেও হুমকির মুখে ফেলার উপায় তৈরি করছে। স্থলযুদ্ধের জন্য এটি একটি সরল অপারেশনাল সমস্যা তৈরি করে: যে বাহিনী নির্ভরযোগ্যভাবে অবস্থান ও অভিমুখ নির্ধারণ করতে পারে না, তারা কৌশল চালানো, সমন্বয় করা এবং নির্ভুল প্রভাব সৃষ্টি করার ক্ষমতা হারায়।

এই দাবিগুলি একটি স্পনসরকৃত নিবন্ধ থেকে এসেছে, তাই এগুলিকে নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নয়, বরং আগ্রহী সরবরাহকারীর পক্ষে প্রচার হিসেবে পড়তে হবে। তবু প্রদত্ত লেখার মূল যুক্তিটি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং শিল্প ও মতবাদগত পরিবর্তন হিসেবে নজরে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ। সামরিক বাজার এমন নেভিগেশন ব্যবস্থাকে বেশি মূল্য দিচ্ছে যা বাহ্যিক সংকেতের ওপর নির্ভরশীল নয়।

কেন GPS আর একাই যথেষ্ট নয়

প্রদত্ত উপাদান এমন একটি কৌশলগত পরিবেশের বর্ণনা দেয় যেখানে GNSS হস্তক্ষেপ আর ব্যতিক্রম নয় বা শীর্ষ-স্তরের সামরিক শক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধও নয়। এতে বলা হয়েছে, জ্যামিং এবং স্পুফিং নিম্ন-তীব্রতার সংঘাতেও সাধারণ হয়ে উঠেছে এবং দ্রুতগতির প্রতিকার-প্রতিকার চক্রের দ্বারা ক্রমশ রূপ নিচ্ছে। এই বিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি স্থিতিস্থাপকতা কী বোঝায় তা বদলে দেয়। রিসিভারকে সুরক্ষিত করা এবং সংকেত উন্নত করা সহায়ক, কিন্তু শুরু থেকেই যদি সংকেত পরিবেশ বিতর্কিত হয়, তবে তা সমস্যার সমাধান করে না।

নিবন্ধটি ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সীমানা ছাড়িয়ে হুমকিকে বিস্তৃত করেছে। এতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে কাউন্টারস্পেস সক্ষমতা উপগ্রহ ব্যবস্থাকেই দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় করতে পারে, ফলে স্থানীয় হস্তক্ষেপের তুলনায় অনেক গভীর দুর্বলতা তৈরি হয়। এই ব্যাখ্যায়, উপগ্রহের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভরশীল যেকোনো নেভিগেশন স্থাপত্য অন্তর্নিহিত কৌশলগত দুর্বলতা বহন করে, তার রিসিভার প্রযুক্তি যতই কঠিন হোক না কেন।

অপারেশনাল ফল গুরুতর। উৎস লেখা স্পষ্টভাবে বলে: যে ইউনিট বাহ্যিক সংকেত ছাড়া নিজের অভিমুখ নির্ধারণ করতে পারে না, সেটি যুদ্ধের জন্য অকার্যকর হয়ে পড়ে। স্থলযুদ্ধে অবস্থান ও হেডিং সহায়ক কাজ নয়। এগুলি ফায়ার, maneuver, synchronization এবং survival-এর পূর্বশর্ত।

অবকাঠামো-স্বাধীন নেভিগেশনের উত্থান

প্রদত্ত উপাদানে প্রস্তাবিত প্রতিক্রিয়া হলো বহুপার্যায়িক একটি পদ্ধতি, যার কেন্দ্রবিন্দু বাহ্যিক অবকাঠামো থেকে স্বায়ত্তশাসন। নিবন্ধটি বিশেষভাবে এমন সেন্সরের কথা বলছে, যা বাইরে থেকে কোনো সংকেত ছাড়াই ব্যবহারযোগ্য নেভিগেশন ডেটা দিতে পারে, এবং terrain-based visual recognition, star tracking ও inertial system-এর মতো বিকল্পের উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে, স্থলযুদ্ধের জন্য মূল সমাধান হিসেবে fiber optic gyroscope, বা FOG, প্রযুক্তিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

যুক্তিটি সহজ। inertial navigation system-কে চলাচল ও অভিমুখ অনুমান করতে চালু থাকা কোনো satellite link-এর দরকার হয় না। ফলে ইলেকট্রনিক আক্রমণ বা মহাকাশ-সংক্রান্ত ব্যাঘাত সম্ভব এমন পরিবেশে এগুলো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এগুলো অবশ্যই satellite navigation-এর পুরোপুরি বিকল্প নয়, কিন্তু ব্যাকআপ হিসেবে এবং একটি সমন্বিত স্থাপত্যের অংশ হিসেবে এগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এখন যে পরিবর্তনটি দেখা যাচ্ছে, তা শুধু প্রযুক্তিগত procurement নয়। এটি doctrinal weighting-এরও পরিবর্তন। বহু বছর ধরে satellite-based navigation এতটাই সহজলভ্য ছিল যে অন্য স্তরগুলো প্রায়ই গৌণ মনে হতো। আরও বিতর্কিত battlespace-এ সেই ক্রম উল্টে যায়। স্বাধীন নেভিগেশন premium feature না থেকে একটি মূল প্রয়োজন হয়ে ওঠে।

স্থলযুদ্ধের জন্য এটি বিশেষভাবে কেন গুরুত্বপূর্ণ

স্থলবাহিনী এমনভাবে কাজ করে, যেখানে resilient orientation বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যানবাহন, artillery unit এবং disperssed formation-কে প্রায়ই canopy-এর নিচে, urban terrain-এ, দ্রুত maneuver চলাকালীন এবং সক্রিয় electronic attack-এর মধ্যে নেভিগেশন করতে হয়। নির্ভরযোগ্য অবস্থান সাময়িকভাবে হারালে কেবল চলাচলই নয়, timing, targeting এবং mutual support-ও ব্যাহত হতে পারে।

তাই উৎস নিবন্ধে precise orientation-এর ওপর জোর দেওয়া উল্লেখযোগ্য। শুধু position যথেষ্ট নয়। অস্ত্রকে সঠিকভাবে align করতে, formation coordinate করতে এবং maneuver-এ ক্রমবর্ধমান ত্রুটি এড়াতে বাহিনীর নির্ভরযোগ্য heading এবং attitude information-ও দরকার। এখানেই inertial approach, বিশেষ করে fiber optic gyro-ভিত্তিক system, বিশেষভাবে মূল্যবান হিসেবে অবস্থান করছে।

নিবন্ধটি স্পনসরকৃত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এটি সরবরাহকারীর প্রযুক্তিকে এগিয়ে দেয়। কিন্তু এতে বৃহত্তর প্রবণতা অস্বীকার হয় না। প্রতিরক্ষা ক্রেতারা এখন এমন ব্যবস্থা চান যা signal environment ভেঙে পড়লেও বা বিভ্রান্তিকর হয়ে উঠলেও operational function বজায় রাখে। যে vendor-রা এই autonomy দিতে পারে, তাদের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।

এটি প্রযুক্তিগত সংকেত যেমন, তেমনি procurement সংকেতও

এই গল্পের গভীরতম তাৎপর্য হলো, এটি একটি সক্রিয় defense market transition ধরেছে। GPS resilience আগে মানে ছিল GPS-এর আরও ভালো ব্যবহার। এখন এর অর্থ increasingly হলো GPS অনুপস্থিত, আক্রান্ত, বা কৌশলগতভাবে degraded হলেও কাজ চালিয়ে যেতে পারা। এই পরিবর্তন inertial navigation, alternative sensor, এবং শুরু থেকেই contested condition-এর জন্য নকশা করা hybrid navigation stack-এর জন্য নতুন জায়গা তৈরি করে।

উৎস নিবন্ধটি এই যুক্তি commercial standpoint থেকে উপস্থাপন করেছে, তবে strategic direction স্পষ্ট, এমনকি সতর্কভাবে পড়লেও। নেভিগেশনকে একটি mostly solved support technology থেকে contested battlefield function হিসেবে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। এই পুনর্বিন্যাস investment priority, testing standard এবং force design assumption বদলে দেয়।

সংক্ষেপে, প্রশ্ন এখন আর এই নয় যে সেনাবাহিনী satellite navigation-কে মূল্য দেয় কি না। দেয়। প্রশ্ন হলো, satellite-কে বিশ্বাস করা না গেলে তারা কিসে ভরসা করে। ক্রমশ উত্তর হলো এমন system, যা একাই নেভিগেট করতে পারে।

এই নিবন্ধটি Breaking Defense-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে লেখা। মূল নিবন্ধ পড়ুন.

Originally published on breakingdefense.com