পৃথিবীর সবচেয়ে কম অধ্যয়ন করা পরিবেশগুলোর একটিতে কম খরচের অগ্রযাত্রা

প্রশান্ত মহাসাগরে চলমান একটি অভিযান একটি সহজ কিন্তু উচ্চাকাঙ্ক্ষী ধারণা পরীক্ষা করছে: গভীর সমুদ্র অনুসন্ধানকে অত্যধিক ব্যয়বহুল হয়েই থাকতে হবে না। MIT Technology Review অনুযায়ী, মার্কিন গবেষণা জাহাজ Rainier 8,000-এরও বেশি square nautical miles সমুদ্রতল মানচিত্রায়ণ করছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ মজুতের খোঁজে, এবং সেই মিশনের একটি অংশে এটি Orpheus Ocean-নির্মিত দুটি উজ্জ্বল, ডিম্বাকার submersibles মোতায়েন করবে।

কোম্পানির প্রস্তাব সরল। সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী জেক রাসেলের ভাষায়, এর যানগুলো “deep for cheap” করার জন্য তৈরি। এই দাবিটাই এই খবরের গুরুত্বের কেন্দ্রবিন্দু। বিদ্যমান গভীর সমুদ্র ব্যবস্থা $5 মিলিয়ন থেকে $10 মিলিয়ন পর্যন্ত খরচ হতে পারে, আর Orpheus বলছে তাদের যান প্রতিটি বানাতে লাগে মাত্র কয়েক লক্ষ ডলার।

রোবোটগুলো কী করার জন্য তৈরি

এই submersibles নির্মিত হয়েছে প্রায় 6,000 মিটার নিচের কঠোর ও কম-অনুসন্ধানকৃত অঞ্চলের জন্য, যেখানে সমুদ্রতলে প্রচুর জীববৈচিত্র্যের পাশাপাশি copper, cobalt, nickel, আর manganese-সহ ধাতব mineral nodules রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে এসব উপাদান ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় বলে এগুলোর গুরুত্ব অনেক।

Orpheus-এর যানগুলো কেবল উপর থেকে জরিপ করে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা সমুদ্রতলে ঢুকে যেতে পারে এবং সেখানকার জীবসহ sediment cores সংগ্রহ করতে পারে। ছবি তোলা ও নমুনা সংগ্রহের এই সংমিশ্রণ প্ল্যাটফর্মটিকে একসঙ্গে কয়েকটি ক্ষেত্রে মূল্যবান করে তুলতে পারে: সরকারি সংস্থা, বিজ্ঞানী, এবং সম্পদ অনুসন্ধানে আগ্রহী কোম্পানিগুলো।

চলমান মিশনে, প্রতিটি যান একবারে 10 কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারবে, প্রতি সেকেন্ডে একটি high-resolution ছবি তুলবে, এবং সমুদ্রতল থেকে সর্বোচ্চ আটটি physical sample সংগ্রহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে সস্তা একটি autonomous system-এর জন্য এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ কার্যকরী পরীক্ষা।