যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া ম্যালেরিয়া এখনও একটি রোগনির্ণয়-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ
ম্যালেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় নয়, কিন্তু একেবারেই নেই তাও নয়। জাতীয়ভাবে প্রতি বছর প্রায় 2,000টি আমদানি হওয়া মামলা শনাক্ত হয়, এবং তার 10% থেকে 20% শিশুদের মধ্যে ঘটে। Children’s Hospital of Philadelphia-এ আলোচিত একটি নতুন বহু-কেন্দ্রিক retrospective study দেখায়, এসব মামলা কত সহজে চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। গবেষকেরা পেয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা পাওয়া শিশু রোগীদের মধ্যে প্রতি চারজনের মধ্যে একেরও বেশি শিশুর প্রাথমিক রোগনির্ণয়ে দেরি হয়েছিল।
এই ব্যবধান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ম্যালেরিয়া সময়-সংবেদনশীল রোগ। দেরি হলে সংক্রমণ চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগে আরও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, যাদের উপসর্গ ও রোগের গতিপথ সবসময় প্রাপ্তবয়স্কদের মতো হয় না।
ভ্রমণের ধরন ঝুঁকির ছবি নির্ধারণ করে
গবেষণায় 2016 থেকে 2023 সালের মধ্যে নয়টি মার্কিন হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়া 171 জন শিশু ম্যালেরিয়া রোগীকে বিশ্লেষণ করা হয়। অধিকাংশেরই পরিষ্কার ভ্রমণ-সংযোগ ছিল: 73% পশ্চিম আফ্রিকায় বন্ধু ও আত্মীয়দের দেখতে গিয়েছিল। এই তথ্যটি চিকিৎসাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় কোথায় প্রতিরোধ ও রোগনির্ণয়-সংক্রান্ত মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হওয়া উচিত। পরিবারকে দেখতে বিদেশে যাওয়া শিশুরা অনেক সময় সেই stereotype-এ পড়ে না, যেগুলো চিকিৎসকেরা ব্যবসায়িক বা অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত করেন, অথচ তারা উচ্চ-ঝুঁকির ম্যালেরিয়া অঞ্চলে ফিরে আসতে পারে।
গবেষণার একজন লেখক বলেছেন, শিশুরা ছোট প্রাপ্তবয়স্ক নয়। তাদের ভ্রমণের উদ্দেশ্য আলাদা, আর তাদের চিকিৎসার পথও অনেক সময় আলাদা। তাই প্রতিরোধমূলক পরামর্শ, pre-travel prophylaxis, এবং post-travel screening-এ পারিবারিক আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনা করতে হবে, কেবল সংকীর্ণ কোনো ভ্রমণকারী প্রোফাইল ধরে নেওয়া যাবে না।

