একটি নতুন তত্ত্ব পুরনো জীববৈজ্ঞানিক ধাঁধাকে টার্গেট করছে
ক্যানসার অনেক টিস্যুতেই হতে পারে, কিন্তু হৃদয় দীর্ঘদিন ধরে একটি ব্যতিক্রম হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। STAT News-এ আলোচিত একটি প্রতিবেদনে, মাউস গবেষণা ইঙ্গিত করছে যে এর একটি কারণ পুরোপুরি জেনেটিক বা ইমিউনোলজিকাল না হয়ে যান্ত্রিকও হতে পারে: হৃদয়ের অবিরাম নড়াচড়া ও চাপ টিউমার তৈরির জন্য অস্বাভাবিকভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ধারণাটি ছোট, কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ। যদি এই তত্ত্ব সত্যি হয়, তাহলে এটি ক্যানসার ঝুঁকি নিয়ে আলোচনার কিছু অংশ কোষের ভেতরের আণবিক সংকেত থেকে সরিয়ে অঙ্গগুলোর ভেতরের ভৌত পরিবেশের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
প্রদত্ত মেটাডেটা মূল ফলাফলটি সতর্কভাবে তুলে ধরছে। এতে বলা হচ্ছে না যে ধাঁধাটি সমাধান হয়ে গেছে, বা প্রক্রিয়াটি মানুষের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বরং বলা হচ্ছে, হৃদস্পন্দন তার ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করতে পারে, এবং দিনে হাজারবার স্পন্দনের ফলে তৈরি হওয়া স্থায়ী চাপ ক্যানসারের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এই ভাষা গুরুত্বপূর্ণ। ফলাফলটি মাউস গবেষণা থেকে আসা একটি সম্ভাবনা হিসেবে উপস্থাপিত, স্থির চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্য হিসেবে নয়।
হৃদরোগজনিত ক্যানসার কেন এত অস্বাভাবিক
হৃদয়ে উৎপন্ন ক্যানসারের বিরলতা এই অঙ্গটিকে oncology-তে এক স্থায়ী outlier-এ পরিণত করেছে। এই বিরলতাই নতুন তত্ত্বকে গুরুত্ব দিচ্ছে। গবেষকেরা শুধু একেকটি পরীক্ষায় টিউমার কীভাবে আচরণ করে তা জানতে চাইছেন না। তারা একটি বিস্তৃত জীববৈজ্ঞানিক প্যাটার্ন বোঝার চেষ্টা করছেন: হৃদয় কেন ক্যানসারের শুরু হওয়ার জন্য এতটা প্রতিকূল জায়গা।
STAT যে তত্ত্বটি তুলে ধরেছে, তা অঙ্গটির নির্ধারক বৈশিষ্ট্যের দিকেই ইঙ্গিত করছে। হৃদয় কখনও বেশি সময় স্থির থাকে না। এটি নিরন্তর সংকুচিত ও প্রসারিত হয়, এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা, দিনের পর দিন চাপ ও যান্ত্রিক strain তৈরি করে। দৈনন্দিন শারীরবিজ্ঞানে এই নড়াচড়াই সঞ্চালনের ভিত্তি। নতুন এই ব্যাখ্যায়, এটি একধরনের environmental filter হিসেবেও কাজ করতে পারে, যা malignant কোষের বসতি স্থাপন বা বৃদ্ধি পাওয়া কঠিন করে তোলে।
এটি আকর্ষণীয় hypothesis, কারণ এটি হৃদরোগজনিত ক্যানসারের বিরলতাকে সরাসরি অঙ্গটির কাজের সঙ্গে যুক্ত করে। হৃদয় কেবল ভিন্ন রসায়নের আরেকটি টিস্যু নয়। এটি এমন একটি কাঠামো, যা ক্রমাগত শারীরিক চাপের মধ্যে থাকে। যদি সেই শক্তিগুলো ক্যানসার দমনে সাহায্য করে, তাহলে anatomy, mechanics ও disease resistance-কে খুব সরাসরি যুক্ত করে এমন ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে।



