একটি বিশাল শহর, এখনও নিচের দিকে নামছে
মেক্সিকো সিটি দীর্ঘদিন ধরে ভূমিধসের জন্য পরিচিত, কিন্তু নতুন উপগ্রহ পর্যবেক্ষণগুলো সমস্যাটির পরিমাণ এবং অসমানতাকে আরও স্পষ্ট করছে। সরবরাহকৃত মূল পাঠ্য অনুযায়ী, NASA এবং Indian Space Research Organization-এর তৈরি রাডার মিশন NISAR থেকে প্রাথমিক পরিমাপ দেখাচ্ছে যে মেক্সিকোর রাজধানীর কিছু অংশ শুষ্ক মৌসুমে মাসে ২ সেন্টিমিটারেরও বেশি বসে যাচ্ছে।
এই তথ্য এসেছে ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে নেওয়া পরিমাপ থেকে, এবং তা এমন একটি মানচিত্রে রূপান্তর করা হয়েছে যা দেখায় মহানগরের নিচের ভূমি কীভাবে সরে যাচ্ছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিষয়টি শুধু এই নয় যে শহর নিচে নামছে। এটি অসমানভাবে নামছে, এবং অসমান গতি অবকাঠামোর জন্য প্রায়ই সবচেয়ে ক্ষতিকর।
মূলে বর্ণিত পাঠ্য অনুযায়ী, মেক্সিকো সিটিতে প্রায় ২ কোটি মানুষ বাস করে। এমন একটি শহরে ভূমিধস কেবল ভূতাত্ত্বিক কৌতূহলের বিষয় নয়। এটি পরিবহন, পানি, ভবন এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর পরিকল্পনাকে স্পর্শ করা একটি ব্যবস্থা-সংক্রান্ত সমস্যা।
NISAR কী যোগ করে
মূলে বর্ণিত পাঠ্য বলছে, NISAR উপগ্রহ ঘটনাটির মাত্রা এবং অগ্রগতি অভূতপূর্ব নির্ভুলতায় ধরতে পেরেছে। NASA-র মানচিত্রে গাঢ় নীল রঙে চিহ্নিত এলাকাগুলো মাসে ২ সেন্টিমিটারের বেশি ভূমিধস নির্দেশ করে। NASA আরও বলেছে, হলুদ এবং লাল এলাকা পটভূমির সংকেত বা নয়েজ হতে পারে, যা যন্ত্রটি আরও তথ্য সংগ্রহ করলে কমে আসবে।
সেই সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ। এই মানচিত্রটি চূড়ান্ত দীর্ঘমেয়াদি রেকর্ড নয়, প্রাথমিক পরিমাপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। তবুও, এত প্রাথমিক পর্যায়েও তথ্য প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। মূলে বর্ণিত পাঠ্যে NISAR-এর উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক Craig Ferguson-কে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এ ধরনের ছবি নিশ্চিত করে যে পরিমাপগুলো মিশন যা পর্যবেক্ষণ করবে বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল তার সঙ্গেই মিলছে।
মানচিত্রে Benito Juarez International Airport-এর অবস্থান বিশেষভাবে চোখে পড়ে, কারণ এটি দ্রুতগতির ভূমিধসের কাছাকাছি একটি এলাকায় অবস্থিত। এটি মনে করিয়ে দেয় যে বিষয়টি বিচ্ছিন্ন কয়েকটি পাড়ায় সীমাবদ্ধ নয়। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সরাসরি সেই জোনের মধ্যেই থাকতে পারে যেখানে ভূমি সবচেয়ে দ্রুত বদলাচ্ছে।





