Friendster সামাজিক নেটওয়ার্ক কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে একেবারে সংকীর্ণ এক ধারণা নিয়ে ফিরে এসেছে

প্রথম দিকের প্রধান সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি Friendster, এক দশকেরও বেশি সময় পর ফিরে এসেছে। কিন্তু এর relaunch সেই সামাজিক ইন্টারনেটকে পুনরায় তৈরি করার চেষ্টা নয়, যা পরে এসে এটিকে ছাপিয়ে গিয়েছিল। বরং নতুন সংস্করণটি একটি কঠোর সীমাবদ্ধতার ওপর নির্মিত: ব্যবহারকারীরা কেবল বাস্তব জীবনে যাদের চেনেন তাদের সঙ্গেই যুক্ত হতে পারেন, এবং সেটিও তখনই যখন অ্যাপটি খোলা থাকে এবং ফোন দুটিকে শারীরিকভাবে ট্যাপ করা হয়।

এই নকশা-নির্বাচন Friendster-কে একটি প্রচলিত সামাজিক প্ল্যাটফর্মের চেয়ে anti-feed network-এর কাছাকাছি নিয়ে যায়। সরবরাহিত source text অনুযায়ী, iOS অ্যাপটিতে কোনো posts নেই, কোনো follow suggestions নেই, কোনো ads নেই, এবং কোনো algorithms নেই। সাইন আপ করা একজন ব্যবহারকারী একটি content stream-এর বদলে ফাঁকা জায়গা দেখেন। উদ্দেশ্য discovery, reach, বা passive scrolling নয়। উদ্দেশ্য সরাসরি, সচেতন সংযোগ।

একটি reboot যা আধিপত্যকারী social model-কে প্রত্যাখ্যান করে

আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়া expansion-এর ওপর দাঁড়িয়ে। Platforms চায় ব্যবহারকারীরা অপরিচিতদের খুঁজে পাক, অসীম recommendations গ্রহণ করুক, এবং engagement loops-এর ভেতরে আরও বেশি সময় কাটাক। নতুন Friendster যেন এই সবকিছুর বিপরীতে ডিজাইন করা হয়েছে। কাউকে follow করতে যদি শারীরিক নিকটতা এবং উভয় ডিভাইসের পারস্পরিক tap লাগে, তবে platform-টি mass audience building, viral amplification, বা algorithmic growth-এর জন্য সহজে মঞ্চ হতে পারে না।

সেই কারণেই relaunch-টি সাংস্কৃতিকভাবে আকর্ষণীয়, এমনকি এটি স্কেল করতে পারে কি না তা এখনও প্রমাণ না হলেও। এই product কেবল nostalgia-কে brand device হিসেবে ব্যবহার করছে না। এটি তার মৌলিক mechanics-এর মাধ্যমে আজকের social platforms-এর একটি সমালোচনা দিচ্ছে। feeds সরিয়ে এবং সরাসরি সাক্ষাৎকে বাধ্যতামূলক করে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে সামাজিক নেটওয়ার্কিং সম্ভবত বাস্তব জীবনের সম্পর্ক থেকে অতিরিক্ত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

নতুন Friendster-এর founder Mike Carson platform-টিকে ads এবং algorithms-হীন হিসেবে প্রচার করছেন। এগুলো ছোট বাদ দেওয়া নয়। Ads business models নির্ধারণ করে। Algorithms attention নির্ধারণ করে। একসঙ্গে এগুলোই সমসাময়িক platforms কীভাবে কাজ করে তার বড় অংশ নির্ধারণ করে। দুটোই বাদ দিলে এমন একটি network থাকে যা আরও শান্ত, আরও intentional, এবং সম্ভবত অনেক ছোট অনুভূত হতে পারে।

Friendster-এর ইতিহাস reboot-টিকে প্রতীকী গুরুত্ব দেয়

Friendster নামটির সঙ্গে অস্বাভাবিক historical baggage জড়িয়ে আছে। মূল platform 2002 সালের মার্চে founder Jonathan Abrams-এর অধীনে চালু হয় এবং এটি ব্যাপকভাবে প্রথম প্রধান online social networking platform হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তী giants এই category-কে সংজ্ঞায়িত করার আগেই এটি এসেছিল। কিন্তু শুরুতে পাওয়া অগ্রগতি স্থায়ী হয়নি। MySpace-সহ অন্যান্য networks দ্রুত উত্থান ঘটায়, এবং Friendster American users-এর মধ্যে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে লড়াই করে।

brandটি সঙ্গে সঙ্গে অদৃশ্য হয়ে যায়নি। source text বলছে Friendster পরে Asia-তে একটি উল্লেখযোগ্য user base পেয়েছিল, পরে একটি Malaysian company-র কাছে বিক্রি হয়, এবং 2011 সালে social gaming-এ ঘুরে যায়। শেষ পর্যন্ত এটি 2015 সালে shut down হয়। এই দীর্ঘ যাত্রা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ brandটি এখন এমন এক ভিন্ন প্রতিশ্রুতি নিয়ে ফিরে এসেছে, যা প্রথমে এটিকে বিখ্যাত করেছিল তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

scale বা content দিয়ে জয়ী হওয়ার চেষ্টা করার বদলে, নতুন সংস্করণটি সীমাবদ্ধতার মাধ্যমে জিততে চাইছে। growth, constant activity, এবং frictionless connection-এ পুরস্কৃত হয় এমন বাজারে এটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রস্তাব। তবু ধারণাটির এই সংকীর্ণতাই সম্ভবত এটিকে আলাদা করে তুলতে পারে।

Mechanics are the message

relaunch-এর সবচেয়ে প্রকাশক দিকটি এই নয় যে অ্যাপটিতে ads নেই। তা হলো ব্যবহারকারীরা একে অপরকে remotely follow করতে পারেন না। শারীরিক tap আবশ্যক। এই সিদ্ধান্ত অন্যথায় একটি branding exercise হতে পারত, সেটিকে একটি product thesis-এ পরিণত করে। Friendster শুধু পুরোনো নাম পুনরুজ্জীবিত করছে না। এটি দাবি করছে যে অনলাইন সামাজিক সংযোগের শুরু হওয়া উচিত offline থেকে।

এই mechanism social graph-টিও বদলে দেয়। বেশিরভাগ platforms-এ network search, recommendation, এবং one-click follows-এর মাধ্যমে বাড়ে। এখানে expansion ইচ্ছাকৃতভাবে ধীর। প্রতিটি connection-এর জন্য বাস্তব জীবনের contact দরকার। বাস্তবিক অর্থে, এই appটি creator ecosystems বা interest-based audiences-এর চেয়ে বিদ্যমান friend groups, events, বা সামনাসামনি মিলিত হওয়া communities-এর জন্য বেশি উপযোগী।

এখানে একটি দার্শনিক মাত্রাও আছে। যদি appটি ব্যবহারকারী সক্রিয়ভাবে network গড়ে তোলা পর্যন্ত ফাঁকা জায়গা দেখায়, তবে এটি এই ধারণা প্রত্যাখ্যান করে যে কোনো platform-কে অবশ্যই সঙ্গে সঙ্গে বিনোদন দিতে হবে। মানুষকে default stream-এ টেনে নেওয়ার বদলে, এটি তাদের নিজেদের circles নির্ধারণ করার জন্য অপেক্ষা করে। এটি সমসাময়িক social media যেভাবে সাধারণত নকশা করা হয়, তার প্রায় উল্টো।

পুনরুজ্জীবনটিও অস্বাভাবিকভাবে সরাসরি ছিল

relaunch-এর পেছনের গল্পটি reclamation-এর বৃহত্তর থিমের সঙ্গে মেলে। Carson বলেন, 2023 সালে তিনি লক্ষ্য করেন Friendster.com domain-টি pop-up ads-এ ভর্তি একটি site হয়ে গেছে। তিনি নতুন domain owner-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন, যিনি এক বছর আগে একটি expired domain auction-এ ঠিকানাটি $7,456-এ কিনেছিলেন। Carson শেষ পর্যন্ত Friendster.com কিনে নেন Bitcoin-এ $20,000 দিয়ে, সঙ্গে তার মালিকানাধীন আরও একটি domain, যা বছরে $9,000 আয় করত।

এই transaction reboot-টিকে একটি স্বতন্ত্র internet-era গুণ দেয়: corporate continuity নয়, domain recovery-এর মাধ্যমে একটি foundational brand-এর প্রত্যাবর্তন। এটি আরও দেখায় যে digital culture-র কতটা অংশ এখন recycled names, archived reputations, এবং পুরোনো platforms কী বোঝাত তা নতুনভাবে ব্যাখ্যা করে প্রাসঙ্গিকতা খুঁজতে থাকা products-এর ওপর নির্ভরশীল।

এটি টিকবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করতে পারে ব্যবহারকারীরা আসলে কতটা friction চান তার ওপর

এই relaunch কোনো comeback-এর নিশ্চয়তা দেয় না। বাস্তবে, এর অনেক সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য গত দুই দশকে ব্যবহারকারীদের গড়ে ওঠা প্রত্যাশার একেবারে বিপরীতে দাঁড়ায়। মানুষ instant discovery, rich content, এবং low-friction connection-এ অভ্যস্ত হয়ে গেছে। Friendster-এর নতুন model ইচ্ছাকৃতভাবে friction যোগ করে। এটি ব্যবহারক্ষেত্র সংকুচিত করে। scale-এর ত্যাগ করে। দেখার জন্য কম, বাস্তবে করার জন্য বেশি দেয়।

তবু এটিই এটিকে সংবাদযোগ্যও করে তোলে। সামাজিক মাধ্যম বছর ধরে reach এবং retention-এর জন্য optimize হয়েছে। Friendster-এর ফিরে আসা ইঙ্গিত দেয় যে, অন্তত তত্ত্বগতভাবে, intimacy, constraint, এবং deliberate contact-এর জন্য optimize করা platforms-এর জন্য এখনও জায়গা আছে। ব্যবহারকারীরা সেই tradeoff মেনে নেবেন কি না, তা অনিশ্চিত। তবে স্পষ্ট যে পুনর্জীবিত Friendster সবচেয়ে বড় social networks-কে তাদের নিজের শর্তে হারাতে চাইছে না।

এটি ব্যবহারকারীদের মনে করিয়ে দিতে চাইছে যে ইন্টারনেট একসময় social networking-কে খুব ভিন্নভাবে কল্পনা করেছিল, এবং সম্ভবত সেই পুরোনো instincts-গুলোর কিছু এখন আবার পর্যালোচনার যোগ্য।

এই নিবন্ধটি Mashable-এর প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে। মূল নিবন্ধটি পড়ুন.

Originally published on mashable.com