তৎক্ষণাৎ app তৈরির আকর্ষণ মৌলিক security-এর সঙ্গে সংঘর্ষে যাচ্ছে

AI-assisted app builders প্রায় যে কাউকে কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি web application তৈরি ও deploy করার সুযোগ দিয়েছে। সেই গতিই তাদের আকর্ষণের বড় অংশ। কিন্তু সেটিই, ক্রমশ, সমস্যারও অংশ হয়ে উঠছে।

Wired-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, cybersecurity firm RedAccess-এর গবেষণার ভিত্তিতে Lovable, Replit, Base44, এবং Netlify-এর মতো tools দিয়ে তৈরি হাজার হাজার public-facing app-এ খুব সামান্য বা কার্যত কোনো meaningful security পাওয়া যায়নি। 5,000-এরও বেশি ক্ষেত্রে, app-গুলো নাকি যে কেউ URL জানত বা অনুমান করতে পারলেই access করতে পারত। RedAccess cofounder Dor Zvi-এর মতে, পর্যালোচিত app-গুলোর প্রায় 40% sensitive information প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী exposed material মোটেই তুচ্ছ নয়। Zvi বলেছেন, এর মধ্যে medical information, financial data, corporate presentations, strategy documents, এবং customer chatbot logs ছিল। Wired আরও বলেছে যে screenshots-এ দেখানো বেশ কয়েকটি exposed application এখনও online এবং accessible ছিল।

এটি শুধু bug-এর গল্প নয়

প্রতিবেদনটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এসব failure-এর অনেকগুলোই সূক্ষ্ম coding flaw ছিল না। এগুলো ছিল missing বা প্রায় না-থাকার মতো access control-এর ঘটনা। কিছু app নাকি কোনো browser থাকা ব্যক্তিকেও data পৌঁছাতে দিত। অন্যগুলো, রিপোর্ট অনুযায়ী, visitor-কে যেকোনো email address দিয়ে sign in করার সুযোগ দেওয়ার মতো দুর্বল বাধার ওপর নির্ভর করত।

এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি threat model বদলে দেয়। Security teams software-এ exploitable defect খুঁজতে অভ্যস্ত। RedAccess যা বলছে, তা তার চেয়েও মৌলিক: app-গুলো live হচ্ছে, অথচ কে ভেতরে ঢুকতে পারবে তার কোনো অর্থপূর্ণ ধারণাই নেই।

এই অর্থে, “vibe-coded” app-এর ঝুঁকি শুধু AI নতুন bug আনছে—এমন নয়। বরং একই tooling software publish করার friction এতটাই কমিয়ে দিচ্ছে যে কিছু creator foundational security decision একেবারেই বাদ দিচ্ছে।