মহাকাশে সম্প্রসারিত সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার মূল্য ঠিক করেছে পেন্টাগন
২১ এপ্রিল প্রকাশিত নতুন বাজেট নথি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা সম্প্রসারণের মাত্রা স্পষ্ট করেছে, এবং এর সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একজন হল মার্কিন স্পেস ফোর্স। ২০২৭ অর্থবছরের অনুরোধ অনুযায়ী, এই পরিষেবা পাবে $71.2 বিলিয়ন, যা ২০২৬ সালে অনুমোদিত প্রায় $32 বিলিয়নেরও দ্বিগুণের বেশি।
এই প্রস্তাব একটি অনেক বড় প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার অংশ। সূত্র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশাসন ২০২৭ অর্থবছরে প্রতিরক্ষার জন্য প্রায় $1.45 ট্রিলিয়ন চাইছে, যা আগের অনুমোদিত স্তরের তুলনায় $440.9 বিলিয়ন, অর্থাৎ 44 শতাংশ বেশি। তাই মহাকাশ কর্মসূচি এই অনুরোধে কোনও পার্শ্ব বিষয় নয়। এগুলোই এর কেন্দ্র।
মার্কিন সামরিক কাঠামোর মধ্যে সম্প্রতি নিজের পরিচয় গড়ে তোলা একটি পরিষেবার জন্য, এই বাজেট আকার ও মিশন দুই দিকেই নাটকীয় সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। নথিগুলি কেবল ধারাবাহিকতা নয়, বরং ক্রয় এবং গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছে, যা দেখায় যে মহাকাশকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অপারেশনাল ক্ষেত্র হিসেবে ধরে দ্রুত সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
টাকা কোথায় যাবে
প্রস্তাবিত স্পেস ফোর্স বাজেটের প্রায় $50 বিলিয়ন গবেষণা, উন্নয়ন, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন, এবং ক্রয়ের মধ্যে কেন্দ্রীভূত। এই কেন্দ্রীকরণ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি শুধু বিদ্যমান কার্যক্রমের খরচ মেটানোর বদলে নতুন সিস্টেম ক্রয় ও মোতায়েনের দিকে ইঙ্গিত করে।
এই ব্যয় পরিকল্পনা 31টি জাতীয় নিরাপত্তা মহাকাশ উৎক্ষেপণকে সমর্থন করবে, এবং U.S. launch ranges আধুনিকীকরণের জন্য $2.2 বিলিয়ন দেবে। পাশাপাশি প্রায় 2,800 জন কর্মীও যুক্ত হবে। সব মিলিয়ে, এগুলো আরও তীব্র গতি, বেশি উৎক্ষেপণ, বেশি অবকাঠামো, বেশি মানুষ, এবং সিস্টেম দ্রুত সরবরাহের জন্য প্রস্তুত একটি পরিষেবার ইঙ্গিত দেয়।
সূত্র পাঠ্যে বাজেট নথিগুলি এই জরুরিতাকে সরাসরি কৌশলগত ভাষায় তুলে ধরেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে মহাকাশে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা একটি গুরুতর জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি, এবং প্রতিপক্ষের counter-space সক্ষমতাগুলো যৌথ বাহিনী ও দেশের জন্য অগ্রহণযোগ্য ঝুঁকি।
এই ভাষা মার্কিন সামরিক চিন্তায় বৃহত্তর পরিবর্তনের সঙ্গে মেলে। মহাকাশকে আর শুধু যোগাযোগ, অবস্থান নির্ধারণ, এবং গোয়েন্দা তথ্যের সমর্থন স্তর হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এটি ক্রমশ এমন একটি ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে যেখানে সিস্টেমগুলো নিজেরাই লক্ষ্য হতে পারে এবং resilience, দ্রুত প্রতিস্থাপন, ও launch capacity অপারেশনাল প্রয়োজনীয়তা হয়ে ওঠে।

