জলবায়ুর যুক্তি ক্রমেই অর্থনৈতিক যুক্তিতে পরিণত হচ্ছে

একটি নতুন Live Science সাক্ষাৎকারে, জলবায়ু বিজ্ঞানী অ্যান্ডি রেইসিঞ্জার এমন একটি দাবি করেন যা জ্বালানি রূপান্তরের একটি বড় পরিবর্তনকে ধরতে পারে: নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ধাক্কা আর কেবল জলবায়ু প্রতিশ্রুতির কারণে থামানো কঠিন নয়, বরং দেশগুলো ক্রমশ এটিকে নিজেদের কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দেখছে।

সাক্ষাৎকারটি এমন সময় এসেছে যখন বিজ্ঞানীরা আরও সন্দিহান হয়ে উঠছেন যে বিশ্ব pre-industrial স্তরের তুলনায় 1.5 degrees Celsius-এর মধ্যে উষ্ণতা ধরে রাখতে পারবে কি না। সূত্র পাঠ্যে বলা হয়েছে, মানবজাতি এখন সেই লক্ষ্য মিস করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যা গ্রহকে এমন এক উষ্ণতর ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যেটা নীতিনির্ধারকেরা একসময় এড়াতে চেয়েছিলেন। এই প্রেক্ষাপটে, রেইসিঞ্জার যুক্তি দেন যে নিম্নতর লক্ষ্য হাতছাড়া হলেও নির্গমন হ্রাস এখনও গভীরভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

কারণটি সহজ। অতিরিক্ত উষ্ণতা এড়ানো এখনও অর্থবহ, এবং পদক্ষেপ নিতে দেরি করলে এমন ক্ষতি স্থির হয়ে যায় যা শতাব্দীর পর শতাব্দী স্থায়ী হতে পারে।

উষ্ণতা শিখরে পৌঁছালে, শীতল হওয়া ধীর

সাক্ষাৎকারের সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তাগুলোর একটি হলো সময়মাত্রা সম্পর্কে। Live Science excerpt অনুযায়ী, বৈশ্বিক উষ্ণতা একবার শিখরে পৌঁছালে গ্রহ আবার ঠান্ডা হতে শতাব্দীর পর শতাব্দী লাগতে পারে। জনসমাজের আলোচনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেখানে জলবায়ু অগ্রগতি কখনও কখনও এমনভাবে উপস্থাপিত হয় যেন নির্গমন কমলেই তাপমাত্রা দ্রুত উল্টে যাবে। রেইসিঞ্জারের যুক্তি বলে অন্য কথা: বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগর দীর্ঘ সময়ের স্কেলে সাড়া দেয়, এবং সঞ্চিত উষ্ণতার প্রভাব দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়।

এর মানে mitigation অর্থহীন নয়। এর মানে urgency আরও যুক্তিসঙ্গত। যদি সিস্টেম ধীরে ঠান্ডা হয়, তবে এখন এড়ানো প্রতিটি অতিরিক্ত উষ্ণতা এমন এক বোঝা কমায় যা অন্যথায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে থেকে যেত। সেই অর্থে, জলবায়ু নীতি একটি একক সীমা নিয়ে সব-না-হলে-কিছু নয় এমন লড়াই নয়। এটি ক্ষতির দীর্ঘলেজকে সীমিত করার একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

এই framing একটি সাধারণ নিরাশাবাদের বিরুদ্ধেও যায়। 1.5 degrees Celsius ছাড়িয়ে যাওয়া মানে এই নয় যে আর কিছুই বাঁচানো যাবে না। এর মানে হলো, ভবিষ্যৎ ক্ষতির মাত্রা আরও বেশি করে নির্ভর করবে এখান থেকে fossil fuel emissions কত দ্রুত কমানো যায় তার ওপর।

স্বার্থ কেন গুরুত্বপূর্ণ

রেইসিঞ্জারের সবচেয়ে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ পয়েন্টটি headline-এই লুকিয়ে আছে: নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেও মেলে বলেই এগোচ্ছে। এই framing আলোচনাকে নৈতিক আহ্বান থেকে সরিয়ে শিল্প কৌশল, জ্বালানি নিরাপত্তা, এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার দিকে নিয়ে যায়। দেশগুলোকে climate justice-এর প্রতিটি দিক নিয়ে একমত হতে হয় না, তবুও তারা দেশীয় পরিষ্কার জ্বালানি, fossil fuel volatility-র কম ঝুঁকি, এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণে মূল্য খুঁজে পেতে পারে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সময় এই যুক্তি বিশেষভাবে টেকসই হতে পারে। যখন সরকারগুলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বিভক্ত থাকে, তখন সংকীর্ণভাবে সংজ্ঞায়িত জাতীয় স্বার্থও কম-কার্বন জ্বালানি ব্যবস্থায় বিনিয়োগকে সমর্থন করতে পারে। যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি resilience বাড়ায়, আমদানি নির্ভরতা কমায়, বা দেশীয় শিল্পকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে সাহায্য করে, তবে climate diplomacy অস্থিতিশীল হলেও গতি বজায় থাকতে পারে।

সাক্ষাৎকারের headline-এ Trump এবং Iran-এর উল্লেখ দেখায় যে জলবায়ু নীতি কোনো শূন্যস্থানে ঘটে না। এটি নিরাপত্তা, বাণিজ্য, এবং রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কের ভেতরেই অবস্থান করে। রেইসিঞ্জারের যুক্তি বলছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা অতিক্রম করেছে: এগুলো আর কেবল জলবায়ু প্রতিক্রিয়া নয়, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রতিক্রিয়াও।

জলবায়ু পদক্ষেপের আরও কঠোর কিন্তু বাস্তবভিত্তিক পর্যায়

উদীয়মান চিত্রটি 1.5 degrees Celsius-এর আশার সঙ্গে জড়িত আগের প্রত্যাশার চেয়ে কম আশাবাদী, তবে পরিবর্তন সাধারণত কীভাবে ঘটে তার দিক থেকে বেশি বাস্তবসম্মত। বড় শক্তি-রূপান্তরগুলি কেবল তখনই এগোয় না যখন সব actor একই মূল্যবোধ ভাগ করে। প্রযুক্তি, বাজার, এবং রাজনীতি এমনভাবে মিলে গেলে যে গ্রহণযোগ্যতা প্রতিদ্বন্দ্বী agenda-গুলোর মধ্যেও লাভজনক হয়ে ওঠে, তখনই এগুলো এগোয়।

সম্ভবত রেইসিঞ্জার সেটাই বোঝাতে চাইছেন। এমন এক বিশ্বেও, যেখানে উষ্ণতা সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যকে ছাড়িয়ে যেতে পারে, সরকারগুলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি গড়ে তুলতেই পারে, কারণ তা দেশীয় অগ্রাধিকারকে সেবা করে। তখন জলবায়ু লাভ আসে কেবল idealism থেকে নয়, বরং অভিন্ন প্রণোদনা থেকে।

এই যুক্তির সীমাবদ্ধতাও আছে। স্বার্থ deployment দ্রুত করতে পারে, কিন্তু এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে equity, দরিদ্র দেশগুলোর জন্য financing, কিংবা fossil fuel systems পুরোপুরি বদলাতে যে গতি দরকার তা সমাধান করে না। এটি কিছু technologies বা regions-কে অন্যদের তুলনায় বেশি সুবিধাও দিতে পারে। তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ হিসেবে এটি শক্তিশালী। আংশিকভাবে স্বার্থপ্রণোদিত একটি জ্বালানি রূপান্তর, কেবল ভঙ্গুর consensus-এর ওপর নির্ভরশীল রূপান্তরের চেয়ে বেশি স্থিতিশীল হতে পারে।

মূল শিক্ষা

সাক্ষাৎকারের কেন্দ্রীয় শিক্ষা হলো, জলবায়ু mitigation এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এমনকি পূর্বাভাস আরও খারাপ হলেও। যদি 1.5 degrees Celsius-এর বেশি উষ্ণতা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং শিখরে পৌঁছানোর পর সেটি উল্টে দিতে শতাব্দী লেগে যায়, তবে নিকটমেয়াদে প্রতিটি নির্গমন হ্রাসের দীর্ঘমেয়াদি মূল্য রয়েছে। একই সঙ্গে, fossil fuels থেকে সরে আসার রূপান্তর এখন আগের চেয়ে বিস্তৃত প্রেরণায় সমর্থিত হতে পারে।

এতে জলবায়ু চ্যালেঞ্জের তীব্রতা কমে না। এটি শুধু স্পষ্ট করে পরিবর্তন কীভাবে ঘটতে পারে। দেশগুলো চুক্তি, লক্ষ্য, এবং দায়বদ্ধতা নিয়ে লড়াই চালিয়েও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাড়াতে পারে, কারণ তাদের কাছে সেগুলো ভালো business, ভালো industrial policy, বা ভালো security strategy বলে মনে হতে পারে। বাস্তব অর্থে, এই রূপান্তর অব্যাহত থাকার অন্যতম শক্তিশালী কারণ এটিই হতে পারে।

রেইসিঞ্জার ঠিক হলে, জলবায়ু পদক্ষেপের ভবিষ্যৎ কেবল গ্রহের সীমা নিয়ে সতর্কতা দিয়ে নয়, বরং একটি শীতল হিসাব দিয়েও গঠিত হবে: অনেক ক্ষেত্রে, পরিষ্কার জ্বালানি সরকারের নিজস্ব সংকীর্ণ স্বার্থের জন্যও আরও উপযোগী পছন্দ হয়ে উঠছে। এটি বিস্তৃত জলবায়ু উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিকল্প নয়, তবে এটি এমন একটি শক্তি হতে পারে যা অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

  • Live Science বলছে, বিজ্ঞানীরা ক্রমশ আশা করছেন বিশ্ব 1.5 degrees Celsius লক্ষ্য মিস করবে।
  • অ্যান্ডি রেইসিঞ্জারের মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন জাতীয় স্বার্থের সঙ্গেও সঙ্গতিপূর্ণ।
  • সাক্ষাৎকারে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, শিখর উষ্ণতার পর ঠান্ডা হতে শতাব্দী লাগতে পারে।
  • ইঙ্গিত হলো, নিম্নতর লক্ষ্য মিস হলেও নির্গমন কমানোর দীর্ঘমেয়াদি মূল্য এখনও অনেক বড়।

এই নিবন্ধটি Live Science-এর রিপোর্টিং-এর ভিত্তিতে লেখা। মূল নিবন্ধ পড়ুন.

Originally published on livescience.com