সংরক্ষণ জেনেটিক্স এক অত্যন্ত বিপন্ন মারসুপিয়ালের মুখোমুখি

অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা মল থেকে পাওয়া environmental DNA ব্যবহার করে একটি deceptively basic সংরক্ষণ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন: বিশ্বের অন্যতম বিরল মারসুপিয়াল আসলে কী খায়, আর সেই খাদ্য উৎসগুলো কোথায় পাওয়া যায়? লক্ষ্য প্রজাতি হলো Gilbert’s potoroo, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া একটি critically endangered marsupial, যার বন্য অবস্থায় ১৫০-রও কম ব্যক্তিই বেঁচে আছে।

এত ছোট জনসংখ্যা অনুমানের সুযোগ খুবই কম রাখে। conservation দলগুলি insurance populations গড়তে translocations ব্যবহার করতে চায়, অর্থাৎ প্রাণীগুলোকে অতিরিক্ত আবাসে সরিয়ে নেওয়া, যাতে একটি bushfire বা অন্য কোনো দুর্যোগ প্রজাতিটিকে নিশ্চিহ্ন করে না দেয়। কিন্তু relocation তখনই কাজ করবে, যখন গন্তব্যস্থল প্রাণীর খাদ্য টিকিয়ে রাখতে পারবে। Gilbert’s potoroo-র ক্ষেত্রে এটি কঠিন, কারণ প্রজাতিটি mycophagous, অর্থাৎ ফাঙ্গাস খায়, এবং এর সঙ্গে জড়িত অনেক ফাঙ্গাসই ভালোভাবে বর্ণিত নয়।

Edith Cowan University এবং Department of Biodiversity, Conservation and Attractions-এর নতুন গবেষণা এই সমস্যার সমাধানের একটি পথ দেখায়। তাজা scat sample-এ থাকা অতি ক্ষুদ্র DNA চিহ্ন বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা প্রাণীগুলোকে বিরক্ত না করেই খাদ্য-সংকেত শনাক্ত করতে পেরেছেন।

গোপন খাদ্য পড়তে eDNA ব্যবহার

গবেষণায় ব্যবহৃত পদ্ধতিটি হলো eDNA metabarcoding, একটি molecular approach যা পরিবেশগত নমুনা থেকে জীবের চিহ্ন শনাক্ত করতে পারে। এখানে নমুনাটি ছিল মাঠ থেকে সংগৃহীত মল। scat-এ দৃশ্যমান অব্যাহত না-হজম হওয়া উপাদানের ওপর নির্ভর না করে, বিশেষ করে যখন fungal spores নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, যা খুবই কঠিন, দলটি DNA বিশ্লেষণ ব্যবহার করে বর্জ্য থেকে খাদ্যের দিকে উল্টো পথে এগিয়েছে।

এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রচলিত diet study অনেক সময় প্রাণীটি যা খায় তার বড় অংশ মিস করে যেতে পারে, বিশেষত যখন খাদ্য উৎসটি taxonomically complex এবং ভালোভাবে catalog করা নয়। ফাঙ্গাস ঠিক সেই সমস্যাটিই তৈরি করে। উৎস পাঠে যেমন বলা হয়েছে, অনেকগুলো এখনও undescribed, ফলে morphology-based শনাক্তকরণ কঠিন হয়ে যায়। eDNA একটি non-invasive এবং সম্ভাব্যভাবে অনেক বেশি sensitive পথ দেয়।

বিপন্ন প্রজাতি নিয়ে কাজের ক্ষেত্রে non-invasive দিকটি বিশেষভাবে জরুরি। গবেষকেরা খুব ছোট এবং ঝুঁকিপূর্ণ বন্য জনসংখ্যাকে ধরাছোঁয়া বা অতিরিক্ত চাপ ছাড়াই অধ্যয়ন করতে পারেন।

Translocation-এর জন্য খাদ্য-জ্ঞান কেন গুরুত্বপূর্ণ

এই গবেষণার ব্যবহারিক লক্ষ্য শুধু পোটোরুর খাদ্যাভ্যাস বর্ণনা করা নয়। লক্ষ্য হলো নতুন জনসংখ্যা স্থাপনের জন্য কোন আবাসগুলো উপযুক্ত তা নির্ধারণে সহায়তা করা। Gilbert’s potoroo বর্তমানে উচ্চ ঝুঁকিতে আছে, কারণ এর সংখ্যা খুব কম এবং বিস্তার খুব সীমিত। নিরাপদ বা আরও স্থিতিস্থাপক স্থানে অতিরিক্ত জনসংখ্যা গড়ে তোলা হলো সবচেয়ে স্পষ্ট সংরক্ষণ কৌশলগুলোর একটি।

কিন্তু যে release site সামগ্রিক ecology-র দৃষ্টিতে উপযুক্ত মনে হয়, সেখানে যদি প্রাণীটির ওপর নির্ভরশীল ভূগর্ভস্থ fungal community না থাকে বা খুব কম থাকে, তবে সেটিও ব্যর্থ হতে পারে। তাই খাদ্য-পুনর্গঠন কৌশলগত হয়ে ওঠে। গবেষকেরা যদি পোটোরুগুলো কোন ফাঙ্গাস খাচ্ছে তা শনাক্ত করতে পারেন, তবে conservation planners শুরু করতে পারবেন যে সেগুলো candidate habitat-এ আছে কি না এবং কতটা পরিমাণে আছে।

এটি এমন ধরনের সংরক্ষণ সমস্যা, যেখানে আধুনিক genetics মাঠের বাস্তব পদক্ষেপ বদলে দিতে পারে। প্রাণীগুলোকে সরিয়ে দিয়ে জায়গাটি উপযুক্ত হবে বলে আশা করার বদলে, managers translocation শুরু হওয়ার আগে আরও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

একটি প্রজাতির বাইরেও দেখা

দলটি আরও দেখেছে যে Gilbert’s potoroo-র খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সাধারণ ছত্রাকভোজী অন্যান্য স্তন্যপায়ীর খাদ্যাভ্যাসের কতটা মিল আছে। উৎস পাঠ অনুসারে, গবেষকেরা quokka, quenda, এবং bush rat-এর scat পরীক্ষা করেছেন, যেসব প্রজাতি ঐতিহাসিকভাবে একই আবাস ভাগ করত।

এই তুলনা দুইভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। প্রথমত, এটি বিজ্ঞানীদের সাহায্য করতে পারে বোঝার জন্য যে অন্য স্তন্যপায়ীরা কি সেই ফাঙ্গাসের উপস্থিতির ecological indicator হিসেবে কাজ করতে পারে, যেগুলো Gilbert’s potoroo-র প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, এটি স্পষ্ট করতে পারে যে সম্ভাব্য release site-গুলো কি ইতিমধ্যেই এমন fungal consumer community-কে সমর্থন করে, যাদের খাদ্যাভ্যাসে overlapping food resources-এর ইঙ্গিত মেলে।

উৎস পাঠে বলা হয়েছে কিছু overlap পাওয়া গেছে, যদিও species-by-species dietary relationship-এর পূর্ণ বিবরণ দেওয়া হয়নি। তবু, এই পদ্ধতি গবেষণাকে সংকীর্ণ খাদ্য-তালিকা থেকে আরও বিস্তৃত ecological mapping exercise-এ রূপ দেয়।

এই প্রজাতিকে বাঁচানো এত কঠিন কেন

Gilbert’s potoroo দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে নাজুক স্তন্যপায়ীগুলোর একটি। বন্য অবস্থায় ১৫০-রও কম বেঁচে থাকায়, প্রতিটি ব্যবস্থাপনা সিদ্ধান্তের ওজন অসাধারণ। ছোট জনসংখ্যা শুধু habitat loss আর predator-এর নয়, বরং fire, disease, এবং সেই randomness-এরও শিকার, যা সংখ্যা খুব কমে গেলে একটি প্রজাতিকে গ্রাস করতে পারে।

উৎস পাঠ বিশেষভাবে bushfire-জাতীয় দুর্যোগকে backup populations স্থাপনের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এটি মনে করিয়ে দেয়, জলবায়ু ও পরিবেশগত আঘাত আরও তীব্র হয়ে ওঠার যুগে সংরক্ষণ অগ্রাধিকার কীভাবে বদলাচ্ছে। শেষ জানা আবাসস্থলকে রক্ষা করাই যথেষ্ট নয়, যদি একটি ঘটনাই সেটিকে মুছে দিতে পারে।

সুতরাং insurance populations কোনো গৌণ লক্ষ্য নয়। এগুলোই প্রজাতির টিকে থাকার কৌশলের কেন্দ্রীয় অংশ। সমস্যা হলো, খাদ্য বা আবাসগত প্রয়োজন ঠিকভাবে না বোঝা গেলে reintroduction এবং translocation প্রায়ই ব্যর্থ হয়। এই গবেষণা সেই বড় অজানাগুলোর একটি দূর করার চেষ্টা করছে।

বন্যপ্রাণী গবেষণার একটি বিস্তৃত মডেল

গবেষণাটি ecology-র একটি বড় প্রবণতাও দেখায়: সরাসরি পর্যবেক্ষণ বা ধরার প্রয়োজন ছাড়াই প্রাণী অধ্যয়নে genetic tools ব্যবহার। scat-ভিত্তিক eDNA কাজ বাড়ছে, কারণ এটি কম disturbance-এ খাদ্যাভ্যাস, উপস্থিতি, এবং ecological interaction প্রকাশ করতে পারে। বিরল বা চোখে না-পড়া প্রজাতির ক্ষেত্রে এটি বড় সুবিধা।

Gilbert’s potoroo-র ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি বিশেষভাবে উপযুক্ত, কারণ প্রাণীটির feeding ecology সরাসরি অধ্যয়ন করা কঠিন। ফাঙ্গাস অনেক সময় লুকোনো, মৌসুমি, এবং taxonomically underdocumented। প্রাণীটিও বিরল। তাই traditional approach-এ অনিশ্চয়তার ওপর অনিশ্চয়তা জমতে থাকে। DNA method সেই চ্যালেঞ্জগুলো পুরোপুরি দূর না করলেও, কিছু অংশকে পরীক্ষাগারে সমাধানযোগ্য প্রশ্নে রূপান্তর করতে পারে।

এর প্রভাব কেবল একটি marsupial-এ সীমিত নয়। বিশেষ খাদ্যাভ্যাস, cryptic food web, বা দেখতে কঠিন প্রজাতি নিয়ে কাজ করা অন্য conservation program-গুলোও habitat selection যখন bottleneck হয়ে দাঁড়ায়, তখন একই ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারে।

একটি সংকীর্ণ জানালার জন্য বিজ্ঞান

এই গবেষণার আকর্ষণ তার নির্দিষ্টতায়। এটি কোনো sweeping conservation breakthrough বা biodiversity বাঁচানোর সর্বজনীন নতুন tool-এর প্রতিশ্রুতি দেয় না। বরং এটি একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করে, যা একটি rescue effort-কে ধীর করছিল: একটি প্রজাতিকে নিরাপদ স্থানে সরানোর জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য-সম্পদ শনাক্ত করা।

এমনভাবেই অর্থবহ সংরক্ষণ অগ্রগতি প্রায়শই ঘটে। জনসংখ্যা ছোট, আবাস নাজুক, আর প্রজাতি এমন ecological detail-এর ওপর নির্ভরশীল যা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠার আগ পর্যন্ত সহজেই চোখ এড়িয়ে যায়। এখানে সেই details ছত্রাক-সংক্রান্ত, এবং scat-এর ভেতরে লুকানো। তবু সেগুলোই ঠিক করতে পারে Gilbert’s potoroo এক বিপজ্জনক অবস্থানেই আটকে থাকবে, নাকি বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় backup population পাবে।

বন্যে ১৫০-রও কম ব্যক্তি বেঁচে থাকা এই marsupial-এর জন্য এমন ব্যবহারিক জ্ঞান একাডেমিক নয়। এটি হলো অবক্ষয় সামলানো আর পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনার মধ্যে পার্থক্য।

এই নিবন্ধটি Science Daily-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে লেখা। মূল নিবন্ধ পড়ুন.

Originally published on sciencedaily.com