AI সঙ্গীত আপলোড পাইপলাইন ভরিয়ে দিচ্ছে

Deezer বলছে, তাদের প্ল্যাটফর্মে আপলোড হওয়া সব নতুন সঙ্গীতের 44% এখন AI-সৃষ্ট, যা দেখায় যে কৃত্রিম অডিও কত দ্রুত মূলধারার বিতরণ চ্যানেলগুলো ভরিয়ে দিচ্ছে। কোম্পানির মতে, এর মানে প্রতিদিন প্রায় 75,000টি নতুন AI ট্র্যাক। তবে এই আপডেটের আরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ কেবল আপলোডের পরিমাণ নয়। Deezer বলছে, এই সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত বেশিরভাগ স্ট্রিম প্রতারণামূলক বলে মনে হচ্ছে এবং প্রায় 85% AI সঙ্গীত স্ট্রিমের আয় বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

এর ফলাফল এমন এক AI কনটেন্ট অর্থনীতির চিত্র, যেখানে উৎপাদন সস্তা, বিতরণ সহজ, এবং প্রধান ব্যবসায়িক মডেল শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর চেয়ে পেআউট সিস্টেমকে গেম করার দিকেই বেশি ঝুঁকতে পারে।

পরিমাণ বেশি, আবিষ্কার কম

আপলোডে বড়সড় বৃদ্ধির পরও Deezer বলছে, AI-সৃষ্ট ট্র্যাকগুলো সেবার মোট শোনার মাত্র 1% থেকে 3%। এই অমিলটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইঙ্গিত দেয় যে প্ল্যাটফর্মে AI কনটেন্ট এত দ্রুত ঢুকে পড়ছে, যত দ্রুত শ্রোতারা সেটি বেছে নিচ্ছেন না। অন্যভাবে বললে, সরবরাহ-পক্ষ বিস্ফোরিত হয়েছে, কিন্তু প্রকৃত চাহিদা সীমিতই রয়ে গেছে।

Deezer আংশিকভাবে এই ফলকে মডারেশন সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত করছে। কোম্পানির মতে, AI-চিহ্নিত ট্র্যাকগুলো সম্পাদকীয় প্লেলিস্ট ও রিকমেন্ডেশন সারফেস থেকে বাদ দেওয়া হয়, ফলে ব্যবহারকারীরা সেগুলোর মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। এই নীতি কার্যত একটি নিয়ন্ত্রণ কৌশল: আপলোডের অনুমতি দিন, কিন্তু অ্যালগরিদমিক বিস্তার সীমিত করুন।

এই ব্যবস্থাগুলো না থাকলে, বিশেষ করে অনেক ব্যবহারকারী যখন তা মানব-নির্মিত ট্র্যাক থেকে আলাদা করতে পারেন না, তখন AI সঙ্গীত সাধারণ শোনার সেশনে আরও সহজে ঢুকে পড়তে পারত বলে সেবাটি মনে করে।