বেইজিংয়ের দ্বিতীয় রোবট হাফ-ম্যারাথন ব্যর্থতার চেয়ে প্রযুক্তির প্রদর্শনী হিসেবেই বেশি মনে হয়েছে

বেইজিং দ্বিতীয় বছরেও তার humanoid robot half-marathon আয়োজন করেছে, এবং প্রথম সংস্করণের সঙ্গে তুলনায় পার্থক্যটি চোখে পড়ার মতো। দেওয়া source text অনুযায়ী, ২০২৬ সালের দৌড়ে ১০০-এর বেশি প্রতিযোগী ছিল, এবং সবচেয়ে বড় খবর ছিল Honor-এর robot Lightning-এর ৫০ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে জয়। প্রথম দৌড়ে দ্রুততম robot-ও নাকি শেষ করতে ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট নিয়েছিল, আর অনেক machine-কে কাছ থেকে মানব সহায়তা লাগত।

এই ইভেন্ট গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি এমন machine-এর একটি public stress test, যেগুলো সাধারণত শুধু tightly controlled demo-তেই দেখা যায়। ১৩ মাইলের course balance, endurance, locomotion, sensing এবং decision-making সমস্যাকে একসঙ্গে সামনে আনে। সেই অর্থে, গত বছর থেকে এই বছরের উন্নতি শুধু better race preparation নয়। এটি ইঙ্গিত দেয় যে অন্তত কিছু humanoid system এখন দীর্ঘ, আরও demanding real-world task আরও স্থিরভাবে সামলাতে শুরু করেছে।

Honor-এর পারফরম্যান্স আলাদা ছিল, কিন্তু আসল মানদণ্ড এখনো autonomy

source material অনুযায়ী Honor, যা smartphones-এর জন্য বেশি পরিচিত, প্রথম স্থান দখল করেছে এবং podium-ও পরিষ্কার করেছে। CCTV বলেছে, কোম্পানির শীর্ষ finishers course autonomously navigate করেছে, আর সেটাই রিপোর্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি। raw speed কাজে লাগে, কিন্তু autonomy-ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় robot-রা কতটা sensing, control এবং route handling মানব নির্দেশনা ছাড়াই করতে পারে।

তবে সব প্রবেশকারীর ক্ষেত্রে autonomy একরকম ছিল না। BBC-কে উদ্ধৃত করে source text বলছে, প্রায় ৪০ শতাংশ robot স্বায়ত্তশাসিতভাবে অংশ নিয়েছে, আর বাকিগুলো ছিল remote-controlled। এই বিভাজন গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায় ক্ষেত্রটি উন্নতি করছে, কিন্তু technology এখনও transitional পর্যায়ে। কিছু নির্মাতা তাদের machine-কে public endurance event-এ প্রায় স্বাধীনভাবে চালাতে স্বচ্ছন্দ। অনেকেই এখনও সেখানে পৌঁছায়নি।

winning time নিজেই চোখে পড়ার মতো, বিশেষ করে Engadget-এর রিপোর্ট অনুযায়ী এটি Uganda-র Jacob Kiplimo-র সম্প্রতি করা human half-marathon record-এর চেয়েও কয়েক মিনিট দ্রুত। কিন্তু এই তুলনাকে symbolিকভাবে দেখা উচিত, literalভাবে নয়। সবচেয়ে ব্যবহারযোগ্য takeaway হলো না যে robot-রা elite human runner-দের meaningful athletic sense-এ ছাড়িয়ে গেছে। বরং একটি humanoid robot এখন এমন গতিতে দীর্ঘ course শেষ করতে পারছে, যা গত বছরের দৌড়ের প্রেক্ষিতে অসম্ভব বলে মনে হতো।

হাস্যকর ব্যর্থতা থেকে বিশ্বাসযোগ্য engineering progress

বেইজিংয়ের প্রথম রোবট হাফ-ম্যারাথন মূলত তার mishap-এর জন্যই স্মরণীয় ছিল। দেওয়া text-এ শুরুতেই পড়ে যাওয়া এবং ব্যাপক operator support-এর কথা মনে করিয়ে দেয়, যা দেখে মনে হয়েছিল event technology-কে ছাড়িয়ে গেছে। এ বছরও কিছু crash হয়েছে, Honor-এর robot-সংক্রান্ত incident-সহ, কিন্তু সেগুলো আর গল্পটিকে তেমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করেনি।

এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ robotics progress প্রায়ই সোজা পথে এগোয় না। কোনো system public outing-এ awkward ও fragile দেখাতে পারে, তারপর gait control, battery management, perception software, recovery behavior-এ উন্নতির পর অনেক বেশি সক্ষম মনে হতে পারে। endurance event বিশেষভাবে দরকারি, কারণ এতে peak capability-এর পাশাপাশি failure rate-ও ধরা পড়ে। ১৩ মাইল জুড়ে robot যদি সোজা দাঁড়িয়ে থাকতে, গতি ধরে রাখতে এবং course শেষ করতে পারে, তাহলে তা ছোট choreographed clip-এর চেয়ে অনেক বেশি স্থায়ী কিছু বলে।

এই event চীনের robotics-এ আরেকটি বড় pattern দেখায়: কোম্পানিগুলো তাদের prototype-কে জনসমক্ষে, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আনতে আগ্রহী। এতে failure হলে embarrassment আসে, কিন্তু progress মাপার একটি পরিষ্কার baseline-ও তৈরি হয়। এ বছরের ফলাফল দেখাচ্ছে, প্রথম দৌড়ের shortcomings থেকে developers দ্রুত শিখেছে।

দৌড়ের গুরুত্ব খেলাধুলার বাইরেও

রোবট হাফ-ম্যারাথন warehouse work, factory labor, বা home assistance-এর সরাসরি proxy নয়। তবু এর underlying capability-গুলো একে অপরের সঙ্গে মেলে। বাস্তব পরিবেশের জন্য তৈরি humanoid machine-এর stable bipedal movement, energy efficiency, route handling, এবং বারবার হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা দরকার। একটি দীর্ঘ দৌড় এই চাহিদাগুলোকে একটিমাত্র public test-এ সংকুচিত করে।

ক্ষেত্রটির mixed result-ও দেখায় sector এখনও কতটা শুরুর পর্যায়ে। যদি entrants-এর মাত্র প্রায় ৪০ শতাংশ autonomous হয়, তবে reliability এবং control এখনও বড় bottleneck। top performer-দের মাঝেও crash হওয়া দেখায় winning system-গুলো এখনও polished product নয়। কিন্তু ঠিক এটাই উন্নতিটাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। “demo করা যায়” আর “চ্যালেঞ্জিং task বারবার করা যায়” -এর মাঝের ফাঁকই robotics development সফল বা ব্যর্থ হয়।

আসল গল্প উন্নতির গতি

বেইজিং থেকে আসা সবচেয়ে শক্তিশালী সংকেত robot-দের মানুষের সঙ্গে দৌড়ানো নয়। বরং এক বছরের মধ্যে উন্নতির ঘনত্ব। হোঁচট আর operator support-এর জন্য মনে রাখা প্রতিযোগিতা থেকে ১০০-এর বেশি entrant, অনেক দ্রুত completion time, এবং অর্থপূর্ণ সংখ্যক autonomous run-সহ ইভেন্টে পৌঁছানো দেখায় sector দ্রুত বদলাচ্ছে।

এর মানে এই নয় যে humanoid robot হঠাৎ করে broad deployment-এর জন্য প্রস্তুত। source text স্পষ্ট করে যে remote control এখনো সাধারণ এবং failure-ও ঘটে। কিন্তু এটি দেখায় যে দীর্ঘ-দূরত্বের, semi-structured physical task কিছু platform-এর জন্য আরও manageable হয়ে উঠছে। humanoid robot যে ছোট demo-র বাইরেও কাজ করতে পারে, তা প্রমাণ করতে চাইলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

এই নিবন্ধটি Engadget-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। মূল নিবন্ধ পড়ুন.

Originally published on engadget.com