Schiphol মাটিতে জেট সরানোর ভিন্ন এক উপায় পরীক্ষা করছে
Amsterdam Schiphol Airport TaxiBot-এর জন্য একটি পাইলট কর্মসূচি শুরু করছে। এটি একটি সেমি-রোবোটিক গ্রাউন্ড টাগ, যা পাইলটদেরকে বিমানের প্রধান ইঞ্জিন ব্যবহার না করেই বিমানবন্দরের ভেতরে বিমান সরাতে সাহায্য করার জন্য তৈরি। প্রদত্ত উৎস পাঠ অনুযায়ী, গেট এবং রানওয়ের মাঝের অংশে প্রচলিত engine-on taxiing-কে “engines-off” প্রক্রিয়ায় বদলে খরচ ও নির্গমন দুটিই কমানো এর লক্ষ্য।
এটি ভবিষ্যতমুখী কিছু নয়, বরং বাস্তবধর্মী উদ্ভাবন। এটি বিমানকে আকাশে বদলায় না। এটি মাটিতে কী ঘটে তা বদলায়, যেখানে বড় বাণিজ্যিক জেটগুলো প্রস্থানের অবস্থানে পৌঁছাতে গিয়েই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি পোড়ায়।
TaxiBot যে অদক্ষতাটি সমাধান করতে চায়
সাধারণ প্রক্রিয়ায়, একটি বিমানকে tug দিয়ে gate থেকে পিছিয়ে দেওয়া হয়, আর তার auxiliary power unit বোর্ডের বিদ্যুৎ ও compressed air সরবরাহ করে। তারপর পাইলট প্রধান ইঞ্জিন চালু করে, সেগুলোকে স্থিতিশীল idle-এ আনে, এবং বিমানের নিজস্ব শক্তিতে runway পর্যন্ত taxi করে। এই ব্যবস্থা পরিচিত এবং কার্যক্রমগতভাবে পরিপক্ব, কিন্তু এটি অদক্ষও বটে।
উৎস পাঠে যেমন বলা হয়েছে, বড় jet engine দিয়ে ধীরে ধীরে tarmac-এর ওপর বিমান চালানো ওই কাজের জন্য প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তি খরচ করে। ফলে অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি পোড়ে এবং flight-ই নয় এমন এক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য নির্গমন ঘটে। Schiphol-এর মতো বড় hub-এ এই অদক্ষতা দ্রুত জমতে থাকে।
বিমানবন্দর গ্রুপটি বলছে, প্রতি বছর প্রায় ৬৮.৮ মিলিয়ন যাত্রী Schiphol দিয়ে যাতায়াত করেন। তাই ধারণাটি কার্যক্রমগতভাবে নির্ভরযোগ্য প্রমাণিত হলে, বিমান চলাচলের প্রতি সামান্য সাশ্রয়ও অর্থবহ মাত্রায় যোগ হতে পারে।
TaxiBot কীভাবে কাজ করে
TaxiBot তৈরি করেছে Smart Airport Systems, TLD এবং Israel Aerospace Industries-এর সহযোগিতায়। ব্যবস্থাটিকে সেমি-রোবোটিক এবং পাইলট-নিয়ন্ত্রিত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আলাদা অপারেটরের কাছে পুরো দায়িত্ব তুলে দেওয়ার বদলে বিদ্যমান cockpit দায়িত্বের সঙ্গে একীভূত হতে চায়। tug nose gear-এ যুক্ত হয়, আর পাইলটরা বিমান steer করেন, যখন যানবাহন taxiing-এর জন্য প্রয়োজনীয় চালিকা শক্তি সরবরাহ করে।
উৎস পাঠে বলা হয়েছে, TaxiBot-এর সঙ্গে এখনো মানব ক্রু থাকে, তবে তা শুধু নিরাপত্তার জন্য। অন্য কথায়, takeoff-এর কাছাকাছি না আসা পর্যন্ত বিমানের ইঞ্জিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বাভাবিক পাইলট নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখাই এর লক্ষ্য।
এটি কেন আগের ধারণাগুলোর চেয়ে বেশি বাস্তবসম্মত হতে পারে
বিমানের ground movement decarbonize বা optimize করার চেষ্টা নতুন নয়। উৎস পাঠে উল্লেখ করা হয়েছে, কিছু আগের পদ্ধতি ব্যয়বহুল ও বিশেষায়িত airport systems-এর ওপর নির্ভর করত, যেগুলো কার্যত airliner-কে tram-এর মতো টেনে নিয়ে যেত। ওইসব ধারণা প্রায়ই ব্যর্থ হয়েছে, কারণ অবকাঠামোগত চাপ অর্থনৈতিক যুক্তিকে দুর্বল করে দিত।
TaxiBot বেশি বাস্তবসম্মত মনে হয়, কারণ এটি একটি mobile vehicle হিসেবে বিদ্যমান airport operations-এ সহজে মানিয়ে নিতে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে এটি ঘর্ষণহীনভাবে চালু হবে। বিমানবন্দরগুলোর নির্ভরযোগ্য turnaround timing, বিভিন্ন aircraft type-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য, এবং এমন প্রক্রিয়া দরকার যা bottleneck তৈরি না করে। কিন্তু আকর্ষণ স্পষ্ট: কম গতির ground movement-এর জন্য jet fuel পোড়ানো এড়িয়ে যান, যখন একটি dedicated tug সেটি আরও দক্ষভাবে করতে পারে।
পরিবেশগত ও কার্যক্রমগত গুরুত্ব
প্রদত্ত অংশে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থা aircraft ground emissions 80% পর্যন্ত কমাতে পারে। উপলব্ধ পাঠে স্বাধীন যাচাইয়ের বিস্তারিত না থাকলেও দাবিটির মৌলিক দিক সম্ভাব্য বলে মনে হয়, কারণ main engines taxi কাজের জন্য বিশেষ tug-এর তুলনায় অনেক বড় ও কম দক্ষ। পরিবেশগত সুবিধা শুধু কার্বন নিয়ে নয়। মাটিতে engine ব্যবহার কমলে স্থানীয় দূষণ এবং বিমানবন্দর পরিচালনার আশেপাশে শব্দও কমতে পারে।
কার্যক্রমগত লাভও সমান গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এয়ারলাইন্স জ্বালানি খরচের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল, আর বিমানবন্দরগুলো throughput ক্ষতিগ্রস্ত না করেই নির্গমন কমাতে চাপের মুখে থাকে। TaxiBot সেই সংযোগস্থলে দাঁড়িয়ে আছে: এটি ground-operations-এর একটি টুল, যার জলবায়ু ও খরচ উভয়ই সুবিধার সম্ভাবনা আছে, দীর্ঘমেয়াদি aircraft redesign নয় যা কয়েক দশক ধরে airframe পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করবে।
দেখার মতো একটি পরীক্ষা
পরিবহন decarbonization কীভাবে এগোয় তার একটি উপযোগী উদাহরণ হলো Schiphol-এর পাইলট: শুধু বিপ্লবী যানবাহনের মাধ্যমে নয়, বরং অদক্ষ রুটিনে লক্ষ্যভিত্তিক পরিবর্তনের মাধ্যমেও। Taxiing সহজে উপেক্ষিত হয়, কারণ এটি flying-এর তুলনায় গৌণ মনে হয়; কিন্তু এটি বড় বিমানবন্দরে অবিরাম পুনরাবৃত্ত হয় এবং তাই বাস্তব উন্নতির সুযোগ তৈরি করে।
TaxiBot যদি বাস্তব সূচির চাপের মধ্যে ভালো কাজ করে, তাহলে অন্য বড় hub-এ বৃহত্তর গ্রহণের পক্ষে যুক্তি শক্তিশালী হবে। যদি এটি দেরি বা পরিচালনাগত জটিলতা তৈরি করে, তবে এর সম্ভাবনা সীমিতই থাকবে। যাই হোক, Schiphol-এর এই পাইলট আজকের workflow-এর কাছাকাছি একটি সমাধান দিয়ে একটি বাস্তব কার্যক্রমগত সমস্যাকে সমাধান করছে, কেবল তত্ত্বে নয়।
এই নিবন্ধটি New Atlas-এর রিপোর্টিংয়ের ভিত্তিতে লেখা। মূল নিবন্ধ পড়ুন.
Originally published on newatlas.com




