MIT এবং University of Pennsylvania-এর গবেষকেরা একটি নতুন ড্রোন ফ্লাইট সিস্টেম তৈরি করেছেন, যার লক্ষ্য এমন দুটি বিষয়, যা প্রায়ই পরস্পরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক: তাৎক্ষণিক বাধা এড়ানো এবং বেশি দক্ষতা। উপলব্ধ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, এই সিস্টেমটি ড্রোনকে বাধার প্রতি সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে এবং একই সঙ্গে সামগ্রিকভাবে আরও কার্যকরভাবে উড়তে সাহায্য করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
এই সমন্বয় কেন গুরুত্বপূর্ণ
স্বয়ংক্রিয় ড্রোনের ক্ষেত্রে, বাধা এড়ানো কোনও পার্শ্ব বৈশিষ্ট্য নয়। বাস্তব পরিবেশে নিরাপদ চলাচলের জন্য এটি একটি মূল শর্ত। একটি ড্রোন যত দ্রুত কোনও বাধা শনাক্ত করে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে, ততই সেটি জটিল অভ্যন্তরীণ স্থান, শহুরে করিডর, শিল্পাঞ্চল, এবং যেসব পরিবেশে পথের অবস্থা মুহূর্তে মুহূর্তে বদলায় সেখানে বেশি উপযোগী হয়ে ওঠে।
দক্ষতাও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। ড্রোন সীমিত শক্তি, পরিসর এবং অনবোর্ড কম্পিউটিংয়ের মধ্যে কাজ করে। এমন একটি সিস্টেম, যা ঝুঁকি এড়াতে পারে কিন্তু অতিরিক্ত শক্তি নষ্ট করে বা উড়ানকে খুব বেশি ধীর করে দেয়, সেটি মাঠপর্যায়ে এখনও অপ্রায়োগিক হয়ে থাকতে পারে। তাই প্রতিবেদনে বর্ণিত এই জুটি আলাদা করে নজর কেড়েছে: উদ্দেশ্য শুধু সংঘর্ষ প্রতিরোধ নয়, বরং তা করার সময় সামগ্রিক উড়ান-দক্ষতাও বজায় রাখা।
একটি পরিচিত সমস্যা, যার প্রকৌশলগত খরচ অব্যাহত
স্বয়ংক্রিয় নেভিগেশন সিস্টেমগুলি নিয়মিতভাবে গতি, নিরাপত্তা এবং দক্ষতার মধ্যে সমঝোতার মুখে পড়ে। সতর্ক আচরণ বিমানকে নিরাপদ রাখতে পারে, কিন্তু ব্যবহারিকতা কমিয়ে দিতে পারে। আক্রমণাত্মক আচরণ throughput বাড়াতে পারে, কিন্তু সংঘর্ষের ঝুঁকিও বাড়ায়। যে কোনও পদ্ধতি যা ড্রোনের তাৎক্ষণিকভাবে বাধা এড়ানোর ক্ষমতা উন্নত করে এবং একই সঙ্গে আরও দক্ষ উড়ান বজায় রাখে, তা পরিদর্শন ও ম্যাপিং থেকে শুরু করে লজিস্টিকস ও গবেষণা পর্যন্ত বিস্তৃত প্রয়োগের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
MIT এবং University of Pennsylvania-এর সম্পৃক্ততাও ইঙ্গিত করে যে কাজটি শক্তিশালী একাডেমিক রোবোটিক্স প্রেক্ষাপটে রয়েছে। দুই প্রতিষ্ঠানই স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম গবেষণার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত, এবং উৎসের বিবরণ এই প্রকল্পকে অনুমানভিত্তিক ধারণা নয়, বরং একটি বাস্তব অগ্রগতি হিসেবে তুলে ধরেছে।
এরপর কী দেখার মতো
উপলব্ধ উৎস উপাদানে নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, সেন্সর স্ট্যাক, বা পরীক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে গভীর প্রযুক্তিগত তথ্য নেই। তবুও, প্রতিবেদনকৃত ফলাফল যথেষ্ট স্পষ্ট: গবেষকেরা বলছেন, তারা এমন একটি সিস্টেম তৈরি করেছেন যা ড্রোনকে তাৎক্ষণিকভাবে বাধা এড়াতে এবং আরও দক্ষভাবে উড়তে সাহায্য করে।
এই সমন্বয় স্বয়ংক্রিয়তার একটি বৃহত্তর দিকের দিকে ইঙ্গিত করে। ভবিষ্যতের ড্রোন সিস্টেম কেবল নেভিগেট করতে পারে কি না, তা দিয়ে নয়, বরং তারা মসৃণভাবে, নিরাপদে, এবং ন্যূনতম অপচয়ে নেভিগেট করতে পারে কি না, তা দিয়ে বিচার করা হবে। সেই ক্ষেত্রে উন্নতি দ্রুত জমা হতে পারে, কারণ ভালো প্রতিক্রিয়া এবং ভালো দক্ষতা দুটিই একসঙ্গে মানববিহীন বিমান কী করতে পারে, তা বাড়িয়ে দেয়।
সংক্ষেপে, এই প্রতিবেদনভিত্তিক অগ্রগতি মনে করিয়ে দেয় যে রোবোটিক্সে অর্থবহ উদ্ভাবন প্রায়ই ল্যাব-স্তরের স্বয়ংক্রিয়তা এবং ক্ষেত্র-প্রস্তুত কর্মক্ষমতার মধ্যকার ব্যবধান কমানোর মধ্যেই আসে। যে ড্রোন তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দিতে পারে এবং তবুও দক্ষভাবে উড়তে পারে, তা কেবল সক্ষম একটি ডেমোর চেয়ে কার্যকর একটি যন্ত্র হয়ে ওঠার আরও কাছাকাছি।
এই নিবন্ধটি Interesting Engineering-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে লেখা। মূল নিবন্ধটি পড়ুন.
Originally published on interestingengineering.com


