ঘণ্টা ও দিনে মাপা একটি সংকট

The BMJ-এ প্রকাশিত নতুন পরিসংখ্যান ইংল্যান্ডের জরুরি সেবার ওপর চাপের এক কঠোর চিত্র দেখায়। ২০২৫ সালে, ৪৯৩,৭৫১ জন রোগী Type 1 emergency departments-এ অন্তত ২৪ ঘণ্টা ছিলেন, তার পরে তাদের ভর্তি, স্থানান্তর বা ছাড়পত্র দেওয়া হয়। ওই মোটের মধ্যে ১৩,৩৮৬ জন অন্তত তিন দিন অপেক্ষা করেছেন। এগুলো বিচ্ছিন্ন ব্যতিক্রম নয়। এগুলো প্রমাণ করে যে অস্বাভাবিক দীর্ঘ বিলম্ব এখন এতটাই নিয়মিত হয়ে গেছে যে তা জাতীয় স্তরে গোনা যায়।

সংখ্যাগুলোর বিশেষত্ব শুধু বড় হওয়া নয়, তাদের দিকও। A&E-তে অন্তত এক দিন কাটানো রোগীর সংখ্যা ২০২৩ সালের ৩৭৭,৯৮৬ থেকে ২০২৪ সালে ৪৮৭,৬০৮-এ উঠে ২০২৫ সালে আবারও বেড়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিকে গত পাঁচ বছরের সবচেয়ে খারাপ মাস বলা হয়েছে, যখন ৬৬,৮৪৭ জন রোগী Type 1 emergency departments-এ পুরো এক দিন ছিলেন এবং ৯,৩৭৯ জন ৪৮ ঘণ্টারও বেশি ছিলেন।

এই সংখ্যাগুলো আলোচনাকে শীতকালীন চাপের শিরোনাম থেকে আরও বিস্তৃত কাঠামোগত সমস্যার দিকে সরিয়ে দেয়। উৎসে উদ্ধৃত বিশেষজ্ঞদের মতে, মহামারির আগে এমন চরম অপেক্ষা প্রায় শোনা যেত না। এখন তারা এটিকে সারা বছরজুড়ে চলা একটি ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করছেন, যা দেশের বিভিন্ন রোগীকে প্রভাবিত করছে।

দীর্ঘ অপেক্ষা কেবল কার্যগত নয়, চিকিৎসাগত সমস্যাও

জরুরি বিভাগের বিলম্বকে কখনও কখনও শুধু অসুবিধা বা system flow-এর সমস্যা হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু এই তথ্য আরও গুরুতর কিছুর দিকে ইঙ্গিত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, রোগী ভর্তি হওয়ার আগে যদি A&E-তে ছয় বা ১২ ঘণ্টার বেশি থাকেন, তাহলে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। সেই প্রেক্ষাপটে ২৪, ৪৮ বা ৭২ ঘণ্টার অপেক্ষা শুধু backlog নয়, ঝুঁকিও।

প্রতিবেদনটি এই বিলম্বগুলোকে corridor care এবং চিকিৎসাগতভাবে অনুপযুক্ত অন্যান্য holding ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত করেছে। প্রতিবেদনের অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করা অনেক রোগী সম্ভবত জটিল কেসের মধ্যে পড়েন, যাদের improvised spaces এবং দীর্ঘ অনিশ্চয়তা সবচেয়ে কম সাহায্য করে। এতে বিষয়টিকে তথ্যগত ত্রুটি বলে উড়িয়ে দেওয়া আরও কঠিন হয়ে ওঠে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা প্রায়ই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যাদের, তাদের ওপরই পড়ে।

মানবিক ক্ষতির প্রতিফলন দেখা যায় রয়্যাল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস-এর সভাপতির এক তীক্ষ্ণ মন্তব্যে, যেখানে তিনি বলেন, কিছু রোগী নাকি বলেছেন হাসপাতাল এসে অপেক্ষা করার চেয়ে বাড়িতেই মারা যাওয়া ভালো। এ ধরনের বক্তব্য শুধু বিলম্বের চেয়ে গভীরতর কিছুর ইঙ্গিত দেয়: জনআস্থার ভেঙে পড়া।