চুক্তি এগোয়নি, তবে ভেঙেও পড়েনি
জাহাজ পরিবহনের নির্গমন নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা পরাজিত হওয়ার বদলে পিছিয়ে গেছে। প্রদত্ত উৎস-পাঠ্য অনুযায়ী, International Maritime Organization-এ সপ্তাহজুড়ে চাপ ও বিলম্বের কৌশল সত্ত্বেও Net Zero Framework বহাল রেখেই আলোচনা শেষ হয়েছে। এখন framework-এর বিষয়বস্তুর বিস্তারিত আলোচনা সেপ্টেম্বরের অতিরিক্ত এক সপ্তাহের বৈঠক পর্যন্ত, তারপর নভেম্বরের Marine Environmental Protection Committee বৈঠক পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
জলবায়ু কূটনীতিতে, টিকে থাকাও এক ধরনের ফলাফল। এটি বিশেষ করে shipping-এর ক্ষেত্রে সত্য, যা decarbonize করা সবচেয়ে কঠিন খাতগুলোর একটি এবং স্বভাবতই সবচেয়ে আন্তর্জাতিকও বটে। অর্থবহ কোনো framework-কে এমন একটি ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয় যেখানে বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্বার্থ, জ্বালানি-নির্ভরতা, এবং রাজনৈতিক চাপসম্পন্ন দেশের veto points থাকে। সাম্প্রতিক অধিবেশন কোনো breakthrough দেয়নি, তবে এটি এমন একটি আলোচনাগত কাঠামো বজায় রেখেছে যার মাধ্যমে তা এখনও সম্ভব হতে পারে।
বিলম্ব কেন গুরুত্বপূর্ণ
তাৎক্ষণিক উদ্বেগ হলো, বিলম্ব ধীরে ধীরে dilution-এ পরিণত হতে পারে। উৎস-পাঠ্য স্পষ্ট করে যে United States এবং তার সমর্থক দেশগুলো আলোচনাকে শরতের দিকে ঠেলে দিতে পেরেছে, যদিও European Union এবং অন্যান্য সরকার framework-টি ছেড়ে দিতে অস্বীকার করেছে। এর মানে, আসন্ন মাসগুলো শুধু প্রক্রিয়াগত হবে না। সেগুলো ঠিক করবে, চূড়ান্ত চুক্তিটি যথেষ্ট শক্তিশালী থাকবে কি না যাতে তা সত্যিকারের প্রভাব ফেলতে পারে।
রাজনৈতিক ঝুঁকিটি পরিচিত। প্রতিটি বিরতি বিরোধীদের ambition কমানো, পরিধি সংকুচিত করা, বা সময়সীমা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার সুযোগ দেয়, যাতে অগ্রগতির চেহারা বজায় থাকলেও emissions-এর ওপর প্রকৃত চাপ কমে যায়। shipping policy বিশেষভাবে সংবেদনশীল, কারণ এর জ্বালানি পরিবর্তনে বড় মূলধনী সিদ্ধান্ত, অবকাঠামো পরিবর্তন, এবং কোন low- বা zero-emission পথগুলোকে উৎসাহ দেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন জড়িত।
একই সঙ্গে, framework সাম্প্রতিক ধাক্কা সামলে টিকে যাওয়ায় দেখা যায় যে বাস্তব আন্তর্জাতিক চুক্তির জন্য এখনো উল্লেখযোগ্য আগ্রহ আছে। maritime transport-এ climate governance collective legitimacy-এর ওপর নির্ভর করে বলেই এটি গুরুত্বপূর্ণ। একটি দুর্বল কিন্তু প্রযুক্তিগতভাবে বৈশ্বিক চুক্তি যথেষ্ট নাও হতে পারে। তবে যে framework উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশগুলোকে একসঙ্গে রাখে, তা পরে আরও শক্ত পদক্ষেপের ভিত্তি হতে পারে।
আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণের পরীক্ষা
Net Zero Framework এখন একই সঙ্গে পরীক্ষা করছে যে multilateral regulation ভূ-রাজনৈতিক fragmentation-এর সঙ্গে কতটা দ্রুত তাল মেলাতে পারে। বড় অর্থনীতি যখন trade pressure, energy politics, বা দেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী বয়ান ব্যবহার করে জলবায়ু আলোচনা ধীর করে, তখন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রমাণ করতে হয় যে তারা প্রক্রিয়াকে যথেষ্ট সময় ধরে একত্রে ধরে রাখতে পারে যাতে বিষয়বস্তু সামনে আনা যায়।
shipping এই প্রশ্নের জন্য বিশেষভাবে কৌশলগত ক্ষেত্র। এই খাত বিশ্ব বাণিজ্যের কেন্দ্র, জ্বালানি দামের ওঠানামার প্রতি সংবেদনশীল, এবং জাহাজ ও পণ্য বারবার বিভিন্ন jurisdiction অতিক্রম করায় কেবল জাতীয় পদক্ষেপে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। এই কারণেই IMO গুরুত্বপূর্ণ। এটি এমন কয়েকটি মঞ্চের একটি, যেখানে maritime transport-এর জন্য একটি বৈশ্বিক emissions framework ব্যাপক বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে গড়ে তোলা যায়।
উৎস-পাঠ্যে Transport & Environment-কে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, বিলম্বকে যেন নতুন স্বাভাবিক হতে দেওয়া না হয়। এই সতর্কবাণী মূল সমস্যাটিই তুলে ধরে। যদি বিলম্ব পদ্ধতিগতভাবে সেই পক্ষগুলোর পক্ষে যায় যারা ধীর transition বা দুর্বল বাধ্যবাধকতা চায়, তাহলে স্থগিত চুক্তি নিরপেক্ষ নয়। যত বেশি প্রক্রিয়া পিছোবে, ততই সম্ভাবনা বাড়বে যে আপসের মানদণ্ড হবে কতটা ambition কাটা গেল, কতটা decarbonization অর্জিত হলো তা নয়।
এরপর কী
এখন সময়সূচি গুরুত্বপূর্ণ। বিস্তারিত আলোচনা সেপ্টেম্বরের অতিরিক্ত এক সপ্তাহে আবার শুরু হওয়ার কথা। তার পর Marine Environmental Protection Committee নভেম্বর মাসে বসবে, পরবর্তী পথ নির্ধারণ করতে। সাম্প্রতিক অধিবেশন framework-টিকে রাজনৈতিকভাবে জীবিত রেখেছে, কিন্তু বিষয়বস্তুর দিক থেকে unresolved রেখেছে বলে এই দুটি মুহূর্ত নির্ণায়ক।
এর ফলে সরকারগুলোর সামনে এখন থেকে শরৎ পর্যন্ত একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। যারা অর্থবহ maritime climate regime চান, তাদের এই বিলম্বকে সমর্থন গড়তে, গ্রহণযোগ্য শর্ত পরিষ্কার করতে, এবং framework-টিকে ফাঁপা করার চেষ্টা প্রতিহত করতে কাজে লাগাতে হবে। তা না হলে, ফলাফল হতে পারে একটি নামমাত্র চুক্তি, যা বর্তমান অবস্থাকে প্রায় অপরিবর্তিত রাখবে।
উৎস-পাঠ্য দ্বিতীয় একটি সম্ভাবনাও তোলে: আন্তর্জাতিক অগ্রগতি থেমে গেলে আঞ্চলিক পদক্ষেপ। এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে leverage dynamics বদলে যায়। যদি দেশ বা ব্লকগুলো মনে করে IMO পর্যাপ্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী framework দিতে পারবে না, তারা নিজেদের পদক্ষেপ নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করতে পারে। এটি কিছু বিচারব্যবস্থায় কর্মসূচি দ্রুত করতে পারে, কিন্তু সাধারণত একক বৈশ্বিক নিয়ম পছন্দ করা একটি খাতে নিয়ন্ত্রক fragmentation বাড়াবে।
জ্বালানি রূপান্তর নীতির বড় সংকেত
এই আলোচনা কেবল একটি খাতের ব্যাপার নয়। এটি energy transition-এ চলমান বৃহত্তর টানাপোড়েনকে প্রকাশ করে: স্বল্পমেয়াদি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের চাপেও decarbonization frameworks কি মজবুত থাকতে পারে? Shipping বাণিজ্য, জ্বালানি বাজার, শিল্প কৌশল, এবং climate risk-এর সংযোগস্থলে অবস্থান করে, তাই এটি একটি প্রকাশক case study।
এখন সবচেয়ে সঠিক পড়া মিশ্র। আলোচনা সমর্থকদের প্রত্যাশিত substantive progress দেয়নি। কিন্তু বিরোধীরাও framework-টিকে পুরোপুরি ভেঙে ফেলতে পারেনি। এমন এক বছরে যখন অনেক climate process কৌশলগত ধীরগতির ঝুঁকিতে, এই সীমিত সাফল্যও গুরুত্বপূর্ণ।
শরতের অধিবেশনগুলো দেখাবে অতিরিক্ত সময় কি ambition শক্তিশালী করতে ব্যবহার হবে, নাকি তা ভেঙে দিতে। Net Zero Framework intact এবং শক্তিশালী হয়ে বেরোলে, এই বিলম্বকে tactical setback হিসেবে দেখা হবে। যদি এটি দুর্বল হয়ে ফিরে আসে, তাহলে এই সপ্তাহের ফলাফল পিছিয়ে যাওয়ার শুরু বলে মনে হবে। এই দুই ব্যাখ্যার মাঝের রেখা আসন্ন আলোচনায় নির্ধারিত হবে।
এই নিবন্ধটি CleanTechnica-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। মূল নিবন্ধটি পড়ুন.
Originally published on cleantechnica.com




