সংখ্যাটি বিশাল, কিন্তু বাধাটি বাস্তব
বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ উৎপাদন পাইপলাইন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা এক দশক আগে অবাস্তব বলে মনে হতো। উৎস উপাদান অনুযায়ী, তেল ও গ্যাস বাদে সম্ভাব্য প্রকল্পের মূল্য এখন প্রায় 8.09 ট্রিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ, পারমাণবিক, গ্যাস এবং সহায়ক অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত। উপরিভাগে এই সংখ্যা বৈশ্বিক বিদ্যুৎ বিনিয়োগ এবং বৃহত্তর জ্বালানি রূপান্তরের পেছনে অসাধারণ গতি নির্দেশ করে।
কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মোট সংখ্যা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রকল্পগুলো কোথায় আছে। প্রায় 63.8% মূল্য এখনও pre-planning বা planning-এ রয়েছে, আর মাত্র 22.5% execution-এ রয়েছে। ঘোষিত উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং বাস্তব নির্মাণের মাঝের এই ফাঁকই বাজারের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করবে।
চ্যালেঞ্জ এখন দৃষ্টি থেকে বাস্তবায়নে সরে এসেছে
বছরের পর বছর ধরে পাওয়ার খাতে মূল প্রশ্ন ছিল সরকার, ইউটিলিটি এবং বিনিয়োগকারীরা পুরোনো সিস্টেম বদলাতে এবং পরিষ্কার উৎপাদন বাড়াতে যথেষ্ট পুঁজি ও নীতিগত সমর্থন দেবেন কি না। অনেক অঞ্চলে সেই প্রশ্নের উত্তর অন্তত আংশিকভাবে হ্যাঁ হয়েছে। এখন প্রযুক্তি ও ভৌগোলিক অঞ্চলজুড়ে একটি বড় পাইপলাইন রয়েছে।
কঠিন প্রশ্ন হলো, প্রকল্পগুলো কি সেই ধাপগুলো পার হতে পারবে যা একটি ধারণাকে গ্রিডে বিদ্যুতে পরিণত করে: অনুমোদন, গ্রিড সংযোগ, অর্থায়ন, procurement, contracting এবং execution। উৎস পাঠ এটিকে buildability test হিসেবে বর্ণনা করেছে, এবং সেই বর্ণনা যথার্থ। সক্ষমতা শুধু ইচ্ছা দিয়ে তৈরি হয় না। তা তৈরি হয় এমন প্রতিষ্ঠান ও সরবরাহ শৃঙ্খলের মাধ্যমে, যা ঝুঁকি শোষণ করতে পারে এবং সময়সূচি ধরে রাখতে পারে।





