মাইক্রোসফট প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথ আরও জরুরি artificial-intelligence নিরাপত্তা নিয়মের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুধ ও washing machines-এর মতো দৈনন্দিন পণ্যের তুলনায় এআই কম নিয়ন্ত্রিত।

BBC-কে স্মিথ বলেন, এআই একই সঙ্গে একটি সরঞ্জাম ও অস্ত্র হতে পারে। rogue AI agents কোনো সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির প্রতি কোম্পানির আইনি দায় থাকা উচিত বলে তিনি মত দেন।

জরুরি ব্রেকের দাবি

স্মিথের বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল এআই সিস্টেমে “emergency brakes”, যাকে kill switches-ও বলা হয়, থাকা দরকার। সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের গ্রহণযোগ্য সীমা ছাড়িয়ে গেলে এগুলো সেটিকে থামাতে বা ধীর করতে পারবে।

Microsoft Chief Executive Satya Nadella-ও বলেন, অত্যন্ত সক্ষম এআইকে অস্বচ্ছ black boxes হিসেবে দেখা উচিত নয়। এর আচরণ পর্যবেক্ষণ, সীমা পরীক্ষা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হওয়া উচিত।

দুই নির্বাহীর বক্তব্যে কোনো নির্দিষ্ট আইন বা প্রযুক্তিগত মান দেওয়া হয়নি। তবে অপারেটরদের এআই আচরণ থামানো বা সীমিত করার ব্যবস্থা থাকা উচিত—এমন ধারণা তারা তুলে ধরেছেন।

তুলনাটি কেন গুরুত্বপূর্ণ

Washing machines ও দুধের প্যাকেটের সঙ্গে স্মিথের তুলনার উদ্দেশ্য ছিল নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বোঝানো। সাধারণ ভোক্তা পণ্যে নিরাপত্তা নিয়ম থাকলেও এআইয়ের দ্রুত বিকাশ সাধারণ নিয়ন্ত্রণের চেয়ে এগিয়ে গেছে।

rogue agents কোনো সিস্টেম দখল বা অপব্যবহার করলে দায় কার—এই প্রশ্নও ওঠে। model developers, infrastructure providers এবং deployers-এর মধ্যে দায় কীভাবে ভাগ হবে, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি।

Brad Smith
এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেটিকে থামাতে বা ধীর করতে ‘kill switches’-এর দাবিও জানান ব্র্যাড স্মিথ। Photograph: Virginia Mayo/AP

frontier developers-এর ওপর চাপ

কঠোর এআই নিয়মের দাবির মধ্যে এই মন্তব্য এসেছে। Anthropic, Google DeepMind এবং OpenAI প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছে। সবচেয়ে সক্ষম সিস্টেমের নির্মাতাদের ব্যাপক ব্যবহারের আগে গুরুতর ঝুঁকি শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা উচিত—এটাই মূল উদ্বেগ।

Britain-এর AI minister-ও frontier AI নির্মাতাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানাতে প্রস্তুত ছিলেন।

নীতির ধারণা থেকে বাস্তবায়ন

“Kill switch” সহজ শব্দ হলেও এর বাস্তবায়ন সাধারণ on-off সিদ্ধান্ত নয়। কখন হস্তক্ষেপ হবে, কে তা ব্যবহার করতে পারবেন এবং প্রযুক্তিগতভাবে এটি কার্যকর কি না—সব নির্ধারণ করতে হবে।

স্মিথ ও নাদেলার বক্তব্যে কোম্পানির এআই আচরণ পর্যবেক্ষণ, সীমা পরীক্ষা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

  • ব্র্যাড স্মিথ জরুরি এআই নিরাপত্তা নিয়ম ও শক্তিশালী সুরক্ষা ব্যবস্থার দাবি জানান।
  • rogue AI agents-এর breach-এর পর emergency brakes ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আইনি দায়বদ্ধতার কথা বলেন।
  • Satya Nadella পর্যবেক্ষণযোগ্য, পরীক্ষাযোগ্য ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য এআই সিস্টেমের পক্ষে মত দেন।

বাস্তব প্রভাবসহ নীতিগত বিতর্ক

বিতর্ক এখন শুধু নিয়ন্ত্রণ দরকার কি না তা নিয়ে নয়; developers, cloud ও infrastructure operators এবং এআই ব্যবহারকারী সংস্থাগুলোর ওপর নিয়ম কীভাবে প্রযোজ্য হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যকে প্রভাবিত ও কাজ স্বয়ংক্রিয় করতে পারে এমন প্রযুক্তির জন্যও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হতে পারে—স্মিথের সতর্কবার্তা এমনই।

এই নিবন্ধটি The Guardian-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি। মূল নিবন্ধ পড়ুন।

Originally published on theguardian.com