ফাঁকটি প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি নয়। এটি নীতির সমস্যা।

ইন্টারনেটের জন্য আরও শক্তিশালী age-verification ব্যবস্থা গড়তে ইউরোপের প্রচেষ্টা একটি স্পষ্ট কিন্তু কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে: ব্যবহারকারীরা virtual private networks ব্যবহার করে অবস্থানভিত্তিক বিধিনিষেধ এড়িয়ে যেতে পারেন। Gizmodo-র উদ্ধৃত প্রতিবেদন অনুযায়ী, European Parliamentary Research Service VPN-কে age-verification আইনের একটি loophole হিসেবে বর্ণনা করেছে, যা “বন্ধ করা দরকার।”

এই ভাষা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় যে বিতর্কটি এখন বয়স কীভাবে যাচাই করা হবে তা ছাড়িয়ে, সরকারগুলোর privacy tools-কে সীমিত করা উচিত কি না সেই প্রশ্নে চলে যাচ্ছে। সেই প্রশ্ন সামনে এলে নীতিগত পরিসর দ্রুত শিশু সুরক্ষা থেকে internet architecture, anonymity, এবং digital civil liberties-এ বিস্তৃত হয়।

ব্যবহারে বড় উল্লম্ফন দেখাচ্ছে মানুষ ইতিমধ্যেই মানিয়ে নিচ্ছে

নিয়ন্ত্রকদের জন্য ব্যবহারিক চ্যালেঞ্জটি সোজা। যদি age-verification ব্যবস্থা ভৌগোলিক অবস্থান বা স্থানীয় নিয়মের ওপর নির্ভর করে, তবে ব্যবহারকারীরা প্রায়ই তাদের traffic অন্য জায়গা থেকে আসছে এমন দেখিয়ে তা এড়িয়ে যেতে পারেন। European research service reportedly উল্লেখ করেছে, age-assurance নিয়ম চালু হওয়া বাজারগুলোতে VPN ব্যবহারে দ্রুত বৃদ্ধি দেখা গেছে।

উদাহরণগুলো উল্লেখযোগ্য। UK-তে age-assurance আইন কার্যকর হওয়ার পর Proton VPN নতুন signup-এ নাকি 1400% বৃদ্ধি দেখেছে। ফ্রান্সেও একই রকম ধারা দেখা যায় যখন under-18 ব্যবহারকারীদের জন্য Pornhub-এ access restrictions আরোপ করা হয়। শিক্ষা স্পষ্ট: আইনপ্রণেতারা যখন internet access-এর চারপাশে gate তৈরি করেন, বিপুল সংখ্যক মানুষ তা এড়াতে সবচেয়ে পরিচিত টুলটিই খোঁজে।